মঙ্গলবার ১৬, জুন ২০২৬

মঙ্গলবার ১৬, জুন ২০২৬ -- : -- --

এইচএসসি পরীক্ষা ২০২৬, ৩৫ নির্দেশনায় কড়াকড়ি নজরদারি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫ জুন ২০২৬, ০৯:০৭ এএম

প্রতীকী ছবি

২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষাকে সুষ্ঠু, নিরাপদ ও নকলমুক্ত রাখতে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের জন্য ৩৫টি নির্দেশনা জারি করেছে। ১৪ জুন ২০২৬ তারিখে বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত চিঠিতে এসব নির্দেশনা সব কেন্দ্রসচিব ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়।

পরীক্ষা ২ জুলাই শুরু হয়ে ৮ আগস্ট শেষ হবে। নিচে নির্দেশনাগুলো অর্থ অক্ষুণ্ণ রেখে নতুনভাবে উপস্থাপন করা হলো-

১. ২০২৪-২৫ সেশনের নিয়মিত শিক্ষার্থীরা ২০২৬ সালের পূর্ণ সিলেবাস অনুযায়ী প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দেবে।
২. ২০২৩-২৪ ও তার আগের অনিয়মিত/মানোন্নয়ন পরীক্ষার্থীরা ২০২৫ সালের সিলেবাস অনুযায়ী প্রশ্নপত্রে অংশ নেবে।
৩. প্রতিদিন সকাল ১০টা ও দুপুর ২টায় পরীক্ষা শুরু হবে।
৪. পরীক্ষা শুরুর তিন দিন আগে ট্রেজারিতে থাকা প্রশ্নপত্রের প্যাকেট তালিকা মিলিয়ে যাচাই করতে হবে। সংশ্লিষ্ট সবাই উপস্থিত থাকবে।
৫. সৃজনশীল ও বহুনির্বাচনি আলাদা করে সেটভিত্তিক সিকিউরিটি খামে রাখতে হবে।


৬. তারিখভিত্তিক প্রশ্নপত্র যথাযথভাবে সাজিয়ে সিলগালা করে খামের ওপর বিষয়, তারিখ ও সেট কোড লিখতে হবে।
৭. পরীক্ষার দিন নির্ধারিত ট্রেজারি থেকে সেই দিনের প্রশ্নপত্র সংগ্রহ করতে হবে।
৮. পুলিশ ও ট্যাগ অফিসারের নিরাপত্তায় প্রশ্নপত্র কেন্দ্রে আনতে হবে।
৯. এসএমএসে পাওয়া সেট কোড যাচাই করে অনুমোদিত সেট খুলতে হবে; অন্য সেট অবশ্যই সংরক্ষণে রাখতে হবে। ভুল সেট ব্যবহারে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হবে।
১০. কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত ছাড়া কেউ মোবাইল বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করতে পারবে না।


১১. প্রতি ২০ জন পরীক্ষার্থীর জন্য ১ জন কক্ষ পরিদর্শক থাকবে; প্রতিটি কক্ষে অন্তত ২ জন দায়িত্ব পালন করবে।
১২. ৫-৬ ফুট বেঞ্চে ২ জন এবং ৪ ফুট বেঞ্চে ১ জন বসবে-এ নিয়ম কঠোরভাবে মানতে হবে।
১৩. সকাল ৮:৩০ থেকে পরীক্ষার্থীরা কেন্দ্রে ঢুকবে; শুরু হওয়ার ৩০ মিনিট আগে সবাইকে কক্ষে বসাতে হবে। দেরি হলে বিশেষ বিবেচনায় রেজিস্ট্রারে নাম লিখে প্রবেশ দেওয়া যাবে।
১৪. কেন্দ্রের বাইরে ভিড় বা জটলা রোধে ব্যবস্থা নিতে হবে, প্রয়োজনে মাইক ব্যবহার করা যাবে।
১৫. নকলবিরোধী পোস্টার দৃশ্যমান স্থানে লাগাতে হবে।


১৬. প্রবেশপত্র কেন্দ্রসচিবরা বোর্ড থেকে নিয়ে পরীক্ষার ১০ দিন আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে পৌঁছে দেবেন।
১৭. বোর্ড নির্ধারিত তারিখে সব পরীক্ষাসামগ্রী গ্রহণ করতে হবে।
১৮. ত্রুটিপূর্ণ উত্তরপত্র কোনোভাবেই ব্যবহার করা যাবে না।
১৯. বোর্ড অনুমোদিত ক্যালকুলেটর ছাড়া অন্য ক্যালকুলেটর নিষিদ্ধ।
২০. প্রশ্নপত্র গ্রহণ, পরিবহন ও খোলা কার্যক্রমে ট্যাগ অফিসারের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।


২১. হাজিরা শিটে প্রতিটি পরীক্ষার্থীর উপস্থিতি লিপিবদ্ধ করতে হবে।
২২. সময়সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা শেষে উত্তরপত্র সিলগালা করে বোর্ডের স্ক্রিপ্ট রুমে পাঠাতে হবে।
২৩. প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র পরিবহনে পুলিশ থাকবে।
২৪. পুরোনো ও নতুন সিলেবাসের উত্তরপত্র আলাদা প্যাকেটে রাখতে হবে, ৫০টি করে বান্ডিল করতে হবে।
২৫. প্যাকেটে অতিরিক্ত লেখা বা চিহ্ন দেওয়া যাবে না-দায়ভার কেন্দ্রের।


২৬. প্রতিটি বিষয় ও ভার্সনের উত্তরপত্র আলাদা প্যাকেট করতে হবে; বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্র আলাদাভাবে লেবেল করতে হবে।
২৭. প্রবেশপত্রে ভুল থাকলে ৫ কর্মদিবসের মধ্যে বোর্ডে সংশোধন করতে হবে।
২৮. পরীক্ষা চলাকালে সব ক্লাস বন্ধ থাকবে; তবে পরীক্ষা না থাকলে ক্লাস চালু রাখা যাবে।
২৯. প্রবেশপত্রে উল্লেখিত বিষয়ের বাইরে পরীক্ষা নেওয়া যাবে না।
৩০. পরীক্ষা শুরুর পরপরই কেন্দ্রের শৌচাগার তল্লাশি করতে হবে এবং নকল সামগ্রী সরাতে হবে।


৩১. দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি ছাড়া কেউ পরীক্ষাকক্ষে প্রবেশ করতে পারবে না।
৩২. প্রশ্নপত্র পরিবহনকারী কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টদের নাম-নম্বর বোর্ডে পাঠাতে হবে।
৩৩. সব কেন্দ্রে সিসিটিভি বসাতে হবে এবং তার তথ্য (মডেল, আইডি, পাসওয়ার্ড) বোর্ডে দিতে হবে।
৩৪. পরীক্ষার্থীরা শুধু কাঁটাযুক্ত খড়ি ছাড়া অন্য কোনো ঘড়ি ব্যবহার করতে পারবে না।
৩৫. যেসব কেন্দ্র রেলওয়ের মাধ্যমে উত্তরপত্র পাঠায়, তারা প্রতিদিনই পাঠাবে; সম্ভব না হলে ডাক বিভাগের মাধ্যমে পাঠাতে পারবে।

Link copied!