নোবিপ্রবি থেকে রাকিব মোহাম্মদ আরজু
প্রকাশিত: ৩০ জুন ২০২৬, ১১:৩৬ পিএম
বুধবার ০১, জুলাই ২০২৬ -- : -- --
ছবি।ক্যাম্পাস রিপোর্ট
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ভর্তি ফি পুনর্বিবেচনা করে যৌক্তিক হারে কমানোর দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, নোবিপ্রবি শাখা।
স্মারকলিপিতে সংগঠনটি উল্লেখ করে, দেশের বর্তমান আর্থসামাজিক বাস্তবতায় উচ্চশিক্ষার ব্যয় বহন করা নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। ফলে অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী ভর্তি ফি পরিশোধ করতে গিয়ে আর্থিক সংকটে পড়ছেন। এ পরিস্থিতিতে ভর্তি প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থীদের আর্থিক চাপ কমাতে ভর্তি ফি পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন রয়েছে বলে তারা দাবি জানায়।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, বর্তমান ভর্তি কাঠামো অনুযায়ী একজন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন খাতে মোট প্রায় ১৬ থেকে ১৭ হাজার টাকা পরিশোধ করতে হচ্ছে। এর মধ্যে ভর্তি ফি, ডেভেলপমেন্ট ফি, টিউশন বা সেশন ফি, ল্যাবরেটরি, লাইব্রেরি, পরিচয়পত্র, পরিবহন, ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক এবং অন্যান্য এককালীন ফি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এসব ফি নির্ধারণের যৌক্তিকতা স্বীকার করলেও বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় ভর্তি ফি যৌক্তিক পর্যায়ে কমিয়ে আনার আহ্বান জানানো হয়।
এছাড়া অপ্রয়োজনীয় বা অতিরিক্ত এককালীন ফি হ্রাস বা পুনর্বিন্যাস করলে শিক্ষার্থীরা উল্লেখযোগ্যভাবে উপকৃত হবেন বলেও স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়। স্মারকলিপিতে তিনটি দাবি উত্থাপন করা হয়েছে দাবিগুলো হলো— প্রথম বর্ষের ভর্তি ফি পুনর্বিবেচনা করে যৌক্তিক হারে কমানো, অপ্রয়োজনীয় বা অতিরিক্ত এককালীন ফি হ্রাস বা স্থগিত করা এবং আর্থিকভাবে অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ফি ছাড়, কিস্তিতে ফি পরিশোধের সুযোগ অথবা আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা চালু করা।
শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আরিফুর রহমান সৈকত বলেন, বর্তমান ভর্তি কাঠামোতে পূর্বের চেয়ে ভর্তি ফি বাড়ানো হয়েছে। এসব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশ নিম্নবিত্ত পরিবার থেকে উঠে আসে। অনেক শিক্ষার্থী আর্থিক সংকটের কারণ ভর্তি হতে পারেন না। ফলে অনেকের স্বপ্ন ভঙ্গ হয়। তাদের কষ্ট লাঘব করতে এই দাবি উত্থাপন করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা ইতিমধ্যে অনেক শিক্ষার্থীদের এককালীন শিক্ষা সহায়তা দিয়ে আসছি। কিন্তু সংখ্যার তুলনায় সেটি অপ্রতুল। আমরা
আশা প্রকাশ করি, শিক্ষার্থীদের স্বার্থ ও বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে।