প্রকাশিত: ২৭ জুন ২০২৬, ১১:৪৮ পিএম
ফুটবল বিশ্বকাপের ৯৬ বছরের ইতিহাসে ২০২৬ সালের আসরটি নানা দিক থেকে ব্যতিক্রম। তিনটি দেশ যৌথভাবে আয়োজন, ৪৮ দলের অংশগ্রহণসহ এবার যুক্ত হচ্ছে আরও একটি নতুন অধ্যায়। প্রথমবারের মতো কোনও আয়োজক দেশকে বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলতে যেতে হচ্ছে নিজেদের দেশের বাইরে।
এই নজির গড়তে যাচ্ছে অন্যতম আয়োজক দেশ কানাডা। রোববার রাতে নকআউট পর্বের প্রথম ম্যাচে লস অ্যাঞ্জেলেসে দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হবে তারা। অর্থাৎ বিশ্বকাপ আয়োজক হয়েও প্রথমবার নিজেদের সীমানার বাইরে মাঠে নামবে কোনও স্বাগতিক দল।
আসলে সূচি তৈরির সময় তিন আয়োজক দেশকে নিজ নিজ গ্রুপে সম্ভাব্য চ্যাম্পিয়ন হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছিল। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী কানাডার গ্রুপ ‘বি’-এর চ্যাম্পিয়ন দল রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচ খেলবে ভ্যাঙ্কুভারে। সেখানে মাঠে নামবে গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন সুইজারল্যান্ড। আর রানার্সআপ হওয়ায় কানাডাকে খেলতে হবে লস অ্যাঞ্জেলেসে।
এর আগে ২০০২ সালের বিশ্বকাপ ছাড়া প্রতিটি আসরেই ছিল একক আয়োজক দেশ। ফলে স্বাগতিক দল টুর্নামেন্টের যে পর্যায়েই পৌঁছাক না কেন, সব ম্যাচ নিজেদের দেশের মাঠেই খেলেছে। ২০০২ সালে যৌথ আয়োজক দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানও নিজেদের সব ম্যাচ দেশের বিভিন্ন শহরে আয়োজন করেছিল।
তবে ২০২৬ বিশ্বকাপের সূচিতে শুরু থেকেই কানাডা ও মেক্সিকোর দেশের বাইরে খেলার সম্ভাবনা ছিল। কারণ কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে সব ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্রে। ফলে শেষ আটে উঠলে অন্য দুই আয়োজককেও দেশের বাইরে খেলতে হতো। কিন্তু তার আগেই কানাডা বিদেশের মাঠে নেমে নতুন ইতিহাস তৈরি করতে যাচ্ছে।
বিশ্বকাপের আয়োজক হিসেবে দেশের বাইরে ম্যাচ খেলার এই ঘটনা ভবিষ্যতের আসরগুলোর জন্যও হয়ে থাকবে একটি ঐতিহাসিক উদাহরণ।
