বৃহস্পতিবার ০৩, সেপ্টেম্বর ২০২৬

বৃহস্পতিবার ০৩, সেপ্টেম্বর ২০২৬ -- : -- --

রুয়েট দিবসে নিরবের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ও রক্তদান কর্মসূচি

মোঃ শোয়েব বিন জামান। রুয়েট প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১৭ পিএম

ছবি। ক্যাম্পাস রিপোর্ট

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের জন্য দিনব্যাপী স্বাস্থ্যসেবামূলক কর্মসূচির আয়োজন করেছে নিরাপদ রক্তের বন্ধন (নিরব)। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সংগঠনটির উদ্যোগে বিনা মূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়, স্বেচ্ছায় রক্তদান, চোখ ও দাঁতের পরীক্ষা এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়।

রুয়েটের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজনকে মানবসেবা ও স্বাস্থ্যসচেতনতার সঙ্গে যুক্ত করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান আয়োজকেরা। তাঁদের লক্ষ্য, রক্তদানে উৎসাহিত করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বাস্থ্যসচেতনতা বাড়ানো এবং একটি সুস্থ ও মানবিক ক্যাম্পাস গড়ে তোলা।

দিনব্যাপী কর্মসূচিতে নিরব ও রক্তবন্ধন ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় বিনা মূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও স্বেচ্ছায় রক্তদানের ব্যবস্থা করা হয়। রাজশাহী ব্লাড ব্যাংকের সহযোগিতায় স্বেচ্ছায় রক্তদানকারীদের কাছ থেকে রক্ত সংগ্রহ করা হয়।

নূর ডেন্টাল কেয়ারের সহযোগিতায় বিনা মূল্যে দাঁতের পরীক্ষা ও দন্ত চিকিৎসকের পরামর্শ দেওয়া হয়। পাশাপাশি দাঁতের স্কেলিংয়ের জন্য অংশগ্রহণকারীদের টোকেন দেওয়া হয়। পরে ওই টোকেনের মাধ্যমে নূর ডেন্টাল কেয়ারে বিনা মূল্যে স্কেলিং করার সুযোগ রাখা হয়। মেডিপ্লাসের পক্ষ থেকে বিনা মূল্যে টুথপেস্টও বিতরণ করা হয়।

গ্রামীণ চক্ষু হাসপাতালের সহযোগিতায় বিনা মূল্যে চোখ পরীক্ষা করা হয়। এ ছাড়া ওষুধে ৫ শতাংশ এবং চশমা তৈরিতে ১০ শতাংশ ছাড়ের সুবিধা দেওয়া হয়।

রুয়েট মেডিকেল সেন্টার ও নিরবের সহযোগিতায় রক্তচাপ, উচ্চতা ও ওজন পরিমাপসহ প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থাও ছিল।

কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ। রুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম আবদুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ-আল-মামুন, রুয়েটের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেনসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিনরা উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচির মিডিয়া পার্টনার ছিল ক্যাম্পাস রিপোর্ট।

আয়োজকদের ভাষ্য, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনন্দকে মানবিক উদ্যোগের মাধ্যমে আরও অর্থবহ করতেই এ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও রক্তদান ও স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা তাঁদের।

Link copied!