সোমবার ৩১, আগস্ট ২০২৬

সোমবার ৩১, আগস্ট ২০২৬ -- : -- --

নেপালি শিক্ষার্থীদের যেকোনো প্রয়োজনে পাশে থাকবে সিকৃবি-সিকৃবি ভিসি

সিকৃবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১০:৪২ পিএম

ছবি। ক্যাম্পাস রিপোর্ট

নেপালে আকস্মিক ভূমিধস ও বন্যায় প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (সিকৃবি) পরিবার। একই সঙ্গে নেপালের জনগণের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

শনিবার (৩০ আগস্ট) বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি প্রাঙ্গণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে ‘Heartfelt Condolence for the Nepalese Devastating Tragedy’ শীর্ষক শোক ও সংহতি কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিকৃবির উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আলিমুল ইসলাম বলেন, “নেপালে যে মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে, তা আমাদের সবাইকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে। মানুষের প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় আমরা অত্যন্ত মর্মাহত। আমরা নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।”

তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্ধশতাধিক নেপালি শিক্ষার্থী রয়েছেন, যারা সিকৃবি পরিবারেরই অংশ। তাঁদের যেকোনো প্রয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয় ও সংশ্লিষ্ট বিভাগ সবসময় পাশে থাকবে।”

ভিসি আরও বলেন, “দুর্যোগ ও সংকটের কোনো ভৌগোলিক সীমারেখা নেই। মানবিকতার জায়গা থেকে বিপদের সময়ে একে অপরের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। নেপালের এই কঠিন সময়ে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার নেপালের জনগণের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করছে।”

তিনি আহতদের দ্রুত সুস্থতা এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার জন্য প্রার্থনা করেন। একই সঙ্গে সংকটের এই সময়ে নেপালের জনগণ সাহস ও শক্তি নিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পারবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, “গভীর শোকের এই সময়ে সিকৃবি পরিবার নেপালের সরকার ও বন্ধুত্বপূর্ণ জনগণের পাশে রয়েছে। বিশেষ করে আমাদের নেপালি শিক্ষার্থী ও তাঁদের পরিবারের প্রতি আমাদের সংহতি রয়েছে।”

এ সময় নেপালি শিক্ষার্থীরা নিজ দেশের দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্ধার ও সহায়তার জন্য ত্রাণ তহবিলে সহযোগিতার আহ্বান জানান।

শোক ও সংহতি কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন সিকৃবির ট্রেজারার প্রফেসর ড. এ.টি.এম. মাহবুব-ই-ইলাহী, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ড. জসিম উদ্দিন আহাম্মদ, প্রক্টর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ রাশেদ আল মামুন, রেজিস্ট্রার (অ.দা.) প্রফেসর ড. মো. আসাদ-উদ-দৌলা, ডিন কাউন্সিলের আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মো. শহীদুল ইসলাম, প্রভোস্ট কাউন্সিলের আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ কাওছার হোসেন, সাউরেসের পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সামিউল আহসান তালুকদার, জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরের পরিচালক খসরু মোহাম্মদ সালাহউদ্দিনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, দপ্তরপ্রধান, বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

Link copied!