নোবিপ্রবি থেকে রাকিব মোহাম্মদ আরজু
প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৬:০৬ পিএম
সোমবার ৩১, আগস্ট ২০২৬ -- : -- --
ছবি। ক্যাম্পাস রিপোর্ট
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ২১তম ব্যাচের ক্লাস শুরুর এক মাসের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো অনুষ্ঠিত হয়নি নবীন শিক্ষার্থীদের কেন্দ্রীয় ওরিয়েন্টেশন। গুচ্ছভুক্ত অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতোমধ্যে নবীনদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হলেও নোবিপ্রবিতে এ আয়োজন না হওয়ায় হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে নবীন শিক্ষার্থীরা। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, আবহাওয়াজনিত কারণে অনুষ্ঠানটি পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং সেপ্টেম্বরের শুরুতে আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ জুলাই থেকে নোবিপ্রবির ২১তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হয়। ক্লাস শুরুর এক মাসের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো কেন্দ্রীয়ভাবে নবীনদের বরণ করে নেওয়ার কোনো আয়োজন করা হয়নি। এতে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরুতেই আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ হওয়ার প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ায় হতাশ নবীন শিক্ষার্থীরা।
অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী নাফিস বলেন, “গুচ্ছের অন্যান্য অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস শুরুর আগেই ওরিয়েন্টেশন হয়ে গেছে। কিন্তু আমাদের এখনো হয়নি। এ বিষয়ে আমরা খুবই হতাশ। প্রশাসনের কাছে আমাদের দাবি, ওরিয়েন্টেশন যেন অনতিবিলম্বে দেওয়া হয়।”
একই বিভাগের শিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তার বলেন, “প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয়েরই ওরিয়েন্টেশন হয়েছে। কিন্তু আমরা এক মাসের বেশি সময় ধরে ক্লাস করে আসলেও আমাদের এখনো ওরিয়েন্টেশন দেওয়া হয়নি। আমরা আশায় ছিলাম, আমাদের সুন্দরভাবে বরণ করে নেওয়া হবে এবং অন্যান্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পরিচিত হব। তাই চাই, অতি শিগগিরই আমাদের বরণ করে নেওয়া হোক।”
শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থী জয়া মারমা বলেন, “এতদিন হয়ে গেল এসেছি, এখনো ওরিয়েন্টেশনের দেখা নেই। একটা আশা নিয়ে এসেছিলাম, সেটাও বোধহয় অপেক্ষাতেই সীমাবদ্ধ।”
সেন্ট্রাল ওরিয়েন্টেশনকে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি স্মৃতি হিসেবে উল্লেখ করে ডিবিএ বিভাগের শিক্ষার্থী মো. সজিব হোসাইন বলেন, “আমাদের একটি সুন্দর ও স্মরণীয় সেন্ট্রাল ওরিয়েন্টেশনের প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু সেটি না হওয়ায় মনে কিছুটা হতাশা ও ক্ষোভ থেকেই যায়। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরুতে সেন্ট্রাল ওরিয়েন্টেশন শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, বরং নতুন স্বপ্ন ও অনুভূতির এক বিশেষ স্মৃতি। আমরা চেয়েছিলাম সবাই একসঙ্গে মিলিত হয়ে নতুন পথচলার আনন্দ ভাগ করে নিতে। আমরা চাই, এই ইচ্ছা ও প্রত্যাশার মূল্য দেওয়া হোক।”