বৃহস্পতিবার ২৩, জুলাই ২০২৬

বৃহস্পতিবার ২৩, জুলাই ২০২৬ -- : -- --

জুলাইয়ের রাজপথে অকুতোভয় নেতা ছাত্রদলের রুমি

রাশেদুজ্জামান রাশেদ,জবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২২ জুলাই ২০২৬, ০১:৩৯ পিএম

ছবি। ক্যাম্পাস রিপোর্ট

২০২৪ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে শুরু করে জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন বলে দাবি করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রদলের দ্বিতীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মোস্তাফিজুর রহমান রুমি।

রুমি জানান, কোটা সংস্কার আন্দোলনের শুরু থেকেই তিনি আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে সহযোদ্ধাদের শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার আহ্বান জানান। পরে জুলাই মাসে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কর্মসূচি, ‘বাংলা ব্লকেড’ এবং শাহবাগ অবরোধে অংশ নেন।

তার দাবি, ১১ জুলাই শাহবাগমুখী কর্মসূচিতে পুলিশের ব্যারিকেড অতিক্রম করে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে তিনি সেখানে পৌঁছান এবং আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের সংগঠিত করার চেষ্টা করেন।

তিনি আরও দাবি করেন, ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আহত আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়ান এবং ১৬ জুলাই কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের কর্মসূচি ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বিক্ষোভে অংশ নেন। ওই সময় সংঘর্ষে তিনিও আহত হন বলে জানান।

রুমির ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯ জুলাই কারফিউ জারির পরও তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, কবি নজরুল সরকারি কলেজ ও সোহরাওয়ার্দী কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আন্দোলনে অংশ নেন। পরবর্তী সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানের কারণে তাকে আত্মগোপনে থাকতে হয় এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করা হয় বলেও দাবি করেন তিনি।

তিনি জানান, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায়ের পরও আন্দোলনের কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত ছিলেন। ৩ আগস্ট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের কর্মসূচি, ৪ আগস্ট ক্যাম্পাস এলাকায় অবস্থান এবং ৫ আগস্ট গণভবনমুখী কর্মসূচিতেও অংশ নেন বলে উল্লেখ করেন।

রুমির দাবি, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কারণে তিনি ১৫টির বেশি মামলার আসামি হয়েছেন এবং ছয়বার কারাবরণ করেছেন।

এ বিষয়ে রুমি বলেন, “জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের ফল। গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।

Link copied!