প্রকাশিত: ১৮ জুলাই ২০২৬, ১০:১৬ পিএম
আন্তর্জাতিক নেলসন ম্যান্ডেলা দিবস উপলক্ষে শান্তি, মানবতা, সাম্য, সহনশীলতা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার বার্তা ছড়িয়ে দিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাইক্লিং ক্লাবের উদ্যোগে একটি বিশেষ সাইকেল র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলা প্রাঙ্গণ থেকে র্যালিটির উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাইক্লিং ক্লাবের মডারেটর,ঢাবি সহকারী প্রক্টর ড. এ কে এম নূর আলম সিদ্দিকী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সভাপতি তাওহীদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক সাঈদ মাহমুদ,দ্বি-চক্র গ্রুপের এডমিন তুষার আহমেদ এবং ঢাবি সাইক্লিং ক্লাবের সাবেক প্রশিক্ষক সাঈদ আহমেদ সহ প্রমুখ সাইক্লিস্ট । র্যালিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন সাইক্লিং কমিউনিটির সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. এ কে এম নূর আলম সিদ্দিকী বলেন, “নেলসন ম্যান্ডেলার জীবন আমাদের শিখিয়ে যায় যে নেতৃত্বের প্রকৃত শক্তি নিহিত থাকে মানবতা, সহনশীলতা ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার মধ্যে। তরুণদের মাঝে এই মূল্যবোধ ছড়িয়ে দিতে এবং দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।”
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাইক্লিং ক্লাবের সভাপতি তাওহীদুর রহমান বলেন, “সাইক্লিং শুধু একটি পরিবহন মাধ্যম নয়; এটি একটি সচেতন জীবনধারা। নেলসন ম্যান্ডেলা দিবসে এই র্যালির মাধ্যমে আমরা মানবিক মূল্যবোধ, সামাজিক সম্প্রীতি, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপারের বার্তা সবার কাছে পৌঁছে দিতে চেয়েছি।”
ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাঈদ মাহমুদ বলেন, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাইক্লিং ক্লাব সবসময় ইতিবাচক সামাজিক পরিবর্তন, পরিবেশ সচেতনতা এবং তরুণদের স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে কাজ করে। আন্তর্জাতিক নেলসন ম্যান্ডেলা দিবসের এই আয়োজন তারই ধারাবাহিকতা। আমরা বিশ্বাস করি, সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধ এবং পরিবেশের প্রতি ভালোবাসা ছড়িয়ে দিতে সাইক্লিং একটি শক্তিশালী মাধ্যম।”
র্যালির মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই যাতায়াতব্যবস্থা হিসেবে সাইক্লিংয়ের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে কার্বন নিঃসরণ হ্রাস, স্বাস্থ্যকর জীবনধারা গড়ে তোলা, সামাজিক সম্প্রীতি বৃদ্ধি এবং দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে সমাজ ও পরিবেশের প্রতি সচেতনতা তৈরির আহ্বান জানানো হয়।
অনুষ্ঠান শেষে ভবিষ্যতেও মানবিক মূল্যবোধ, সামাজিক সচেতনতা এবং পরিবেশ সংরক্ষণে এ ধরনের জনসম্পৃক্ত কর্মসূচি অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন আয়োজকরা।
