বুধবার ১৭, জুন ২০২৬

বুধবার ১৭, জুন ২০২৬ -- : -- --

জাবির ছাত্রী হলে মাদক উদ্ধার, দুই শিক্ষার্থী বহিষ্কার

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৬ জুন ২০২৬, ০৯:২০ পিএম

প্রতীকী ছবি।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) নওয়াব ফয়জুন্নেছা হলের একটি কক্ষে মাদকদ্রব্য সংরক্ষণ ও সেবনের ঘটনায় দুই শিক্ষার্থীকে দুই বছরের জন্য বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই সঙ্গে তাঁদের আবাসিক হল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ ছাড়া একজন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় আইনে মামলা করার সুপারিশ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) ভোর ৫টার দিকে প্রশাসনিক ভবনে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভা শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার এবিএম আজিজুর রহমান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

বহিষ্কৃত দুই শিক্ষার্থী হলেন ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ৫১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী তনুজা তিথি এবং নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সানজিদা আমীর ইনিসী।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, নওয়াব ফয়জুন্নেছা হলের ১১৬ নম্বর কক্ষে মাদকদ্রব্য সংরক্ষণ ও সেবনের ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্তে অভিযুক্ত দুই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিসিপ্লিনারি বোর্ডে উপস্থাপন করা হয়।

তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্ত দুই শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা সংক্রান্ত অধ্যাদেশ-২০১৮ লঙ্ঘন করেছেন। ওই অধ্যাদেশ অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, বিভাগ, ইনস্টিটিউট ও আবাসিক হলে দেশি-বিদেশি যে কোনো ধরনের মাদকদ্রব্য সংরক্ষণ, সেবন কিংবা ব্যবসা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

ডিসিপ্লিনারি বোর্ডের সুপারিশের ভিত্তিতে সিন্ডিকেট সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তনুজা তিথি ও সানজিদা আমীর ইনিসীকে দুই বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হবে। একই সঙ্গে তাঁদের আবাসিক হল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ ছাড়া তনুজা তিথির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় আইনে মামলা দায়েরেরও সুপারিশ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১৮ এপ্রিল সন্ধ্যায় নওয়াব ফয়জুন্নেছা হলের ১১৬ নম্বর কক্ষে হল প্রশাসনের অভিযানে মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। কক্ষটি ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ৫১তম আবর্তনের শিক্ষার্থী তনুজা তিথির নামে বরাদ্দ ছিল। অভিযানের সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের ৪৮তম আবর্তনের শিক্ষার্থী সানজিদা আমীর ইনিসী।

ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্ত কার্যক্রম শেষে ডিসিপ্লিনারি বোর্ডের সুপারিশের ভিত্তিতে সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

Link copied!