মঙ্গলবার ০৬, অক্টোবর ২০২৬

মঙ্গলবার ০৬, অক্টোবর ২০২৬ -- : -- --

বিইউবিটিতে সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ শওকত আলী সাময়িক বরখাস্ত

মোঃ আয়নুল ইসলাম

প্রকাশিত: ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৩ পিএম

ছবি। ক্যাম্পাস রিপোর্ট

ভিসিকে হুমকি দেওয়া ও অসদাচরণের অভিযোগে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজির (বিইউবিটি) ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ শওকত আলীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

৪ অক্টোবর (রবিবার) বিইউবিটির রেজিস্ট্রার ড. মো. হারুনুর রশীদের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। আদেশ অনুযায়ী, ৫ অক্টোবর থেকে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

অফিস আদেশে বলা হয়, গত ৭ আগস্ট আনুমানিক রাত সাড়ে ১২টার দিকে সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ শওকত আলীর ব্যক্তিগত ই-মেইল ঠিকানা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের ই-মেইলে একটি হুমকিমূলক বার্তা পাঠানো হয় বলে অভিযোগ ওঠে।

পরদিন সকালে উপাচার্য তাঁকে কার্যালয়ে ডেকে ওই ই-মেইল পাঠানোর বিষয়ে জানতে চান। এ সময় তিনি উপাচার্যের কার্যালয়ে উপস্থিত ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যানসহ আরও দুই কর্মকর্তার সামনে অসদাচরণ করেন বলেও অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে ই-মেইলটির বিষয়বস্তু বা হুমকির সুনির্দিষ্ট ধরন অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়নি।

অভিযোগটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা কমিটির কাছে পাঠানো হয়। ১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত শৃঙ্খলা কমিটির সভায় অভিযোগগুলো পর্যালোচনা করা হয়।

833945407_1722677858837843_4030588815111421891_n.jpg

সভায় শৃঙ্খলা কমিটি অভিযোগগুলোকে গুরুতর বলে উল্লেখ করে। একই সঙ্গে তদন্ত চলাকালে তাঁকে অবিলম্বে সাময়িক বরখাস্ত এবং অভিযোগের প্রকৃতি ও প্রাসঙ্গিক তথ্য-উপাত্ত যাচাই করতে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠনের সুপারিশ করা হয়।

শৃঙ্খলা কমিটির সুপারিশ ও উপাচার্যের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে সহযোগী অধ্যাপক শওকত আলীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন ও সুপারিশের ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে বিইউবিটি সিন্ডিকেট চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

সাময়িক বরখাস্তের সময় সহযোগী অধ্যাপক শওকত আলীকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া ক্যাম্পাসে প্রবেশ না করতে বলা হয়েছে।

তবে তদন্ত কমিটি প্রয়োজন মনে করলে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ বা বক্তব্য দেওয়ার জন্য ডেকে পাঠাতে পারবে। সে ক্ষেত্রে তদন্ত প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অফিস আদেশের অনুলিপি উপাচার্যের কার্যালয়, উপ-উপাচার্যের কার্যালয়, কোষাধ্যক্ষ, কলা, মানবিক ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন, ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান, অর্থ ও হিসাব পরিচালক এবং প্রক্টরের কাছে পাঠানো হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ শওকত আলীর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো প্রমাণিত হয়েছে বলে গণ্য করা যাবে না। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন ও সিন্ডিকেটের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পর বিষয়টির নিষ্পত্তি হবে।

Link copied!