বুধবার ১৯, আগস্ট ২০২৬

বুধবার ১৯, আগস্ট ২০২৬ -- : -- --

শাবিপ্রবিতে উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ নিয়োগ : যোগ দিচ্ছেন না কোষাধ্যক্ষ

ছবি। ক্যাম্পাস রিপোর্ট

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টি টেকনোলজি (এফইটি) বিভাগের অধ্যাপক ড. জি. এম. রবিউল ইসলামকে নতুন উপ-উপাচার্য এবং সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহ মো. আতিকুল হককে নতুন কোষাধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে নিয়োগের পর কোষাধ্যক্ষ পদে যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন অধ্যাপক আতিকুল হক। 

গতকাল সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো. শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত দুটি পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে শাবিপ্রবি আইন, ১৯৮৭ এর ১৩ (১) ধারা অনুযায়ী ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টি টেকনোলজি (এফইটি) বিভাগের অধ্যাপক ড. জি. এম. রবিউল ইসলামকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য পদে এবং আইনটির ১৪ (১) ধারা অনুযায়ী সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহ মো. আতিকুল হককে কোষাধ্যক্ষ পদে শর্ত অনুযায়ী নিয়োগ দেওয়া হলো। 

নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, উভয়ের মেয়াদ যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর অথবা অবসর গ্রহণের তারিখের মধ্যে যেটি পূর্বে ঘটে সেই সময় পর্যন্ত হবে। দায়িত্ব পালনকালে তাঁরা মূল পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতাদি এবং বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাবেন। তাঁদের সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে এবং রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর  প্রয়োজনে যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন।

গতকাল দুপুরে নতুন উপ- উপাচার্য হিসাবে যোগদানকালে অধ্যাপক রবিউল ইসলাম বলেন,রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী আমার ওপর যে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছেন, আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ এবং মহান এ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করব। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও সার্বিক উন্নয়নে দায়িত্বের শেষ দিন পর্যন্ত কাজ করে যাব। এজন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি।

এদিকে কোষাধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর পদটিতে যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন অধ্যাপক ড. শাহ মো. আতিকুল হক। নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, তিনি এখনো কোষাধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দেননি এবং এ পদে যোগ দেওয়ার পরিকল্পনাও নেই। এ বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন।

ফেসবুক পোস্টে সবাইকে তাঁকে অভিনন্দন না জানানোর অনুরোধ করে তিনি জানান, নানা জটিলতা ও নিজের ভেতরের দ্বন্দ্বের কারণে তিনি কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব গ্রহণ না করে ২০০৬ সালে লেকচারার হিসেবে যে কাজ শুরু করেছিলেন, সেটিই চালিয়ে যেতে চান।

Link copied!