ইয়ামিন আহমেদ,যবিপ্রবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৫ জুলাই ২০২৬, ১০:২১ পিএম
বৃহস্পতিবার ১৬, জুলাই ২০২৬ -- : -- --
প্রতীকী ছবি।
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হলেও তাদের হাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচিতিমূলক বই ‘একাডেমিক ক্যালেন্ডার’ তুলে দিতে পারেনি প্রশাসন। এ নিয়ে একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন কমিটির প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (১৫ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়। এ আয়োজনের মাধ্যমে নতুন শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মকানুন, একাডেমিক কার্যক্রম, ক্যাম্পাস এবং বিভিন্ন সুযোগসুবিধার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। সাধারণত এ উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের হাতে একাডেমিক সূচি, বিভাগ ও অনুষদের পরিচিতি, প্রশাসনিক কাঠামো, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন নিয়মাবলি এবং সুযোগসুবিধাসংবলিত প্রায় ১০০ থেকে ১৫০ পৃষ্ঠার একটি বই দেওয়া হয়, যা ‘একাডেমিক ক্যালেন্ডার’ নামে পরিচিত। এই ক্যালেন্ডার থেকেই শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার বিষয়বস্তুর পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের পরিচিতি ও প্রয়োজনীয় নিয়মকানুন সম্পর্কে জানতে পারেন। তবে এবার সেই ক্যালেন্ডার ছাড়াই ওরিয়েন্টেশন শেষ হয়েছে।
রসায়ন বিভাগের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মুনিয়া খাতুন বলেন, "একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আমার মনে হয়, একাডেমিক ক্যালেন্ডার বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি দলিল। এটি থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মকানুন, একাডেমিক কার্যক্রম ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য জানা যায়। কিন্তু দুঃখজনকভাবে ওরিয়েন্টেশনের দিনেও আমাদের হাতে একাডেমিক ক্যালেন্ডার তুলে দেওয়া হয়নি। বিষয়টি দায়িত্বহীনতার পরিচয় বহন করে।"
এ বিষয়ে যবিপ্রবির একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন কমিটির সদস্যসচিব নিত্যানন্দ পাল বলেন, "একাডেমিক ক্যালেন্ডার ছাপানোর আগে সেটি একাডেমিক কাউন্সিলের অনুমোদন নিতে হয়। কাউন্সিলে কোনো ভুল বা সংশোধনের প্রয়োজন হলে তা ঠিক করে দেওয়া হয়। এবারের একাডেমিক ক্যালেন্ডারটি মাত্র দুই দিন আগে একাডেমিক কাউন্সিলে অনুমোদিত হয়েছে। তাই এখনো ছাপানোর কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি। আশা করি খুব দ্রুতই শিক্ষার্থীদের হাতে একাডেমিক ক্যালেন্ডার পৌঁছে দেওয়া হবে।"
একাডেমিক কাউন্সিলে অনুমোদন পেতে বিলম্ব হওয়ার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে নিত্যানন্দ পাল বলেন, "একাডেমিক কাউন্সিল কবে অনুষ্ঠিত হবে, সেটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিষয়। এ বিষয়ে আমাদের কোনো ভূমিকা নেই।"