প্রকাশিত: ২৩ মে ২০২৬, ০৪:০৪ পিএম
হামের রোগী এবং জরুরি স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে যুক্ত ডাক্তার ও নার্সদের ঈদের ছুটি থাকবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
শনিবার (২৩ মে) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।
হাসপাতালে ভর্তি হাম আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসাসেবা ঈদের সময়েও চালু থাকবে কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, চিকিৎসকরা দায়িত্বে থাকবেন। এ বিষয়ে এরই মধ্যে নির্দেশনা জারি করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। তার ভাষ্য, হামের রোগী ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে কোনো ডাক্তার বা নার্স ছুটি নিতে পারবেন না, সবাইকে দায়িত্বে থাকতে হবে।
ভ্যাকসিন নেওয়ার পরও কেউ হাম আক্রান্ত হতে পারে কি না? এমন প্রশ্নে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, টিকা নিলেই শতভাগ নিশ্চয়তা পাওয়া যায় না যে কোনো শিশু হাম হবে না। উদাহরণ হিসেবে তিনি গুটি বসন্ত ও কলেরার কথা তুলে ধরে বলেন, রোগ নিয়ন্ত্রণে এলেও কিছু ক্ষেত্রে সংক্রমণ দেখা দিতে পারে। শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা দুর্বল হলে ঝুঁকি বাড়ে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ভাইরাসের সংক্রমণ বেশি ছড়িয়ে পড়লে কিছু ক্ষেত্রে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যায়। তবে এ বিষয়ে নির্দিষ্ট নিশ্চয়তা দিতে পারবেন না বলেও উল্লেখ করেন মন্ত্রী।
ঈদের সময় আক্রান্ত শিশুদের নিয়ে আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে না যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে অতিরিক্ত ভিড় হয় এমন স্থানেও শিশুদের না নেওয়ার পরামর্শ দেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হাম অত্যন্ত ছোঁয়াচে রোগ। সংস্পর্শ, শ্বাস-প্রশ্বাস ও কাছাকাছি অবস্থানের মাধ্যমেই এটি দ্রুত ছড়াতে পারে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ঈদে বাস-ট্রেন ভ্রমণ, আত্মীয়দের বাড়িতে যাতায়াত এবং মানুষের অবাধ মেলামেশার কারণে হাম আরও ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে সুস্থ শিশু এলে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
জেএস
