প্রকাশিত: ০৯ মে ২০২৬, ০৮:৩৬ পিএম
“সেলিব্রেটিং লিগ্যাসি অফ ইনোভেশন” প্রতিপাদ্যে আয়োজিত টেক্সটাইল ট্যালেন্ট হান্ট (টিটিএইচ) সিজন-১০ এর জাতীয় সম্মেলনে গৌরবময় সাফল্য অর্জন করেছেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড রিসার্চ (নিটার)-এর শিক্ষার্থীরা।
রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ কমপ্লেক্সের নূরুল কাদের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে দেশের টেক্সটাইল ও পোশাক শিল্পখাতের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, একাডেমিক প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।
টিটিএইচের ক্যাম্পাস ডে কম্পিটিশন বা প্রিলিমিনারি রাউন্ডে দেশের ৩০টিরও বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ২ হাজার ৪৫০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। প্রতিযোগিতার বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে টিটিএইচ বাংলাদেশ, টিটিএইচ ঢাকা এবং টিটিএইচ বুটেক্স—এই তিন জোন থেকে সেরা ১০০ জনকে “ইনোভেশন মাস্টারমাইন্ড” হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। তারা জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পান।
টিটিএইচ ঢাকা জোনে নিটার থেকে নির্বাচিত পটেনশিয়াল ইনোভেশন মাস্টারমাইন্ডরা হলেন— মোঃ আরিফুল হক নাঈম, সাদমান সাকিব সাদ, মোঃ রাফসান হোসান মাহিয়ান (৬ষ্ঠ), আশিকুর রহমান (৮ম), জাসিয়া মেহজাবীন শৈলী (১০ম), মোঃ সোহেল রানা (১৬তম), অরিজিৎ সরকার (২০তম), আবু শোয়াইব আহমেদ রানা (২৬তম) এবং তাজওয়ার রহমান (৩৭তম)। এ আয়োজনের ইমপ্লিমেন্টেশন পার্টনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে নিটার সায়েন্স সোসাইটি।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সটাইলসের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জুলহাস উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএর ভাইস প্রেসিডেন্ট (ফাইন্যান্স) ও ফ্যাশন পাওয়ার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মিজানুর রহমান। এছাড়াও গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজির উপাচার্য প্রফেসর ড. ইঞ্জিনিয়ার আইয়ুব নবী খান।
অনুষ্ঠানে প্রোগ্রাম চেয়ারম্যান ইঞ্জি. এহসানুল করিম কায়সার বলেন, “তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশ এবং শিল্পখাতের বাস্তব চাহিদার সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতের দক্ষ ও উদ্ভাবনী নেতৃত্ব তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল অংশীদারদের বিশেষ সেশন, যেখানে দেশের টেক্সটাইল ও কেমিক্যাল শিল্পখাতের শীর্ষ কর্মকর্তারা উদ্ভাবন, টেকসই উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ শিল্প প্রবণতা নিয়ে আলোচনা করেন।
সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, জাতীয় পর্যায়ের পরবর্তী ধাপগুলোতেও নিটারের শিক্ষার্থীরা তাদের সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখে প্রতিষ্ঠানটির সুনাম আরও সমৃদ্ধ করবে।
