প্রকাশিত: ২৩ জুলাই ২০২৬, ১০:০৬ পিএম
প্রিয় ক্যাম্পাসে ফেরার আনন্দ, পুরোনো বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা আর শিক্ষকদের সান্নিধ্যে কাটানো দিনের স্মৃতি-সবকিছুকে একসূত্রে গাঁথতে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) এ আগামীকাল ২৪ জুলাই (শুক্রবার) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত প্রাক্তন শিক্ষার্থী সম্মেলন-২০২৬।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে অন্যতম বৃহৎ এই পুনর্মিলনীতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল এবং বিশ্বের নানা দেশে কর্মরত কুয়েটের অসংখ্য প্রাক্তন শিক্ষার্থী একত্রিত হবেন। দীর্ঘদিন পর পরিচিত ক্যাম্পাসে ফিরে সহপাঠী, শিক্ষক এবং স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলোকে ঘিরে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে অন্যরকম উচ্ছ্বাস।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে উপাচার্যের উপস্থিতিতে বিভিন্ন ব্যাচের অ্যালামনাইরা অংশ নেবেন। আয়োজকদের ভাষ্য, এটি শুধু একটি পুনর্মিলনী নয়; বরং কুয়েট পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং গবেষণাভিত্তিক জ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার সঙ্গে আরও কার্যকরভাবে যুক্ত হবে। পাশাপাশি বর্তমান শিক্ষার্থীরা তাঁদের অভিজ্ঞতা থেকে দিকনির্দেশনা ও অনুপ্রেরণা পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
সম্মেলনে শিল্প, শিক্ষা ও গবেষণার মধ্যে আরও শক্তিশালী সংযোগ গড়ে তোলা,অ্যালামনাইদের পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং জাতীয় উন্নয়নে তাঁদের ভূমিকা আরও সুসংহত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, কুয়েটের অগ্রযাত্রা, গবেষণার মানোন্নয়ন, উদ্ভাবনী কার্যক্রম এবং শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে।
আগামীকাল বিকেল ৪টায় কুয়েট অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য এ সম্মেলনে থাকবে শুভেচ্ছা বক্তব্য, স্মৃতিচারণ, মতবিনিময় এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বৃদ্ধির নানা আয়োজন। দীর্ঘদিন পর এক ছাদের নিচে মিলিত হয়ে পুরোনো দিনের গল্প ভাগাভাগি করার পাশাপাশি ভবিষ্যতের জন্য নতুন পরিকল্পনাও তুলে ধরবেন অ্যালামনাইরা।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সম্মেলনকে সফল করতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। তাঁদের বিশ্বাস, কুয়েট অ্যালামনাইদের এই মহামিলন শুধু স্মৃতির পুনর্জাগরণই নয়, বরং বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও সমৃদ্ধ, গবেষণামুখী ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
