ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে রাকিব হোসেন
প্রকাশিত: ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৪ পিএম
শুক্রবার ২৪, জুলাই ২০২৬ -- : -- --
‘হৃদয়ে বাংলাদেশ’ মুরালের সামনে বিদায়ী স্মৃতির শেষ ফ্রেমে বন্দী হওয়ার দৃশ্য
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ব্যস্ত প্রাঙ্গণে দাঁড়িয়ে থাকা ‘হৃদয়ে বাংলাদেশ’ মুরাল। যেন এক টুকরো দেশপ্রেম, এক টুকরো ইতিহাস, অসংখ্য স্মৃতির মিলনস্থল।লাল-সবুজের চেতনায় নির্মিত এই মুরালটি প্রতিদিন নীরবে দেখে যায় কলেজের হাজারো শিক্ষার্থীর হাসি, আনন্দ, আড্ডা আর স্বপ্নের পথচলা।
কেউ আসে নতুন পরিচয় নিয়ে, কেউ আসে পুরোনো বন্ধুত্বকে আরও একবার ক্যামেরাবন্দী করতে। নবীনদের চোখে থাকে নতুন ক্যাম্পাসের উচ্ছ্বাস, আর বিদায়ীদের চোখে জমে থাকে দীর্ঘদিনের স্মৃতির আবেগ। ‘হৃদয়ে বাংলাদেশ’ মুরালের সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তোলা যেন ভিক্টোরিয়া কলেজের শিক্ষার্থীদের এক চিরচেনা ঐতিহ্য।
কখনো এখানে বন্ধুরা দলবেঁধে ছবি তোলে, কখনো কেউ একা দাঁড়িয়ে স্মৃতির ফ্রেমে নিজেকে ধরে রাখে। ছবি তোলার ফাঁকে ফাঁকে জমে ওঠে আড্ডা। কেউ গুনগুন করে গান গায়, কেউ গল্পে মেতে ওঠে, আবার কেউবা হাসি-ঠাট্টায় মাতিয়ে রাখে পুরো পরিবেশ।
এই মুরাল শুধু ইট-পাথর-রঙে তৈরি কোনো স্থাপনা নয়। এটি শিক্ষার্থীদের জীবনের নানা অধ্যায়ের সাক্ষী। প্রথম দিনের উচ্ছ্বাস, বন্ধুত্বের শুরু, কোনো সংগঠনের স্মরণীয় আয়োজন কিংবা বিদায়ের শেষ ছবি,সবকিছুর সঙ্গে জড়িয়ে আছে এই প্রাঙ্গণ।
প্রজন্মের পর প্রজন্ম শিক্ষার্থী আসে, ক্যাম্পাসের পথ ধরে এগিয়ে যায়, একসময় বিদায় নেয়। বদলে যায় মুখ, বদলে যায় সময়; কিন্তু ‘হৃদয়ে বাংলাদেশ’ মুরাল থেকে যায় একই জায়গায়। অসংখ্য শিক্ষার্থীর স্মৃতি, আবেগ আর ভালোবাসা বুকে ধারণ করে।
ভাইভা শেষে ‘হৃদয়ে বাংলাদেশ’ মুরালের সামনে বিদায়ী স্মৃতির শেষ দৃশ্যবন্দী হন বাংলা বিভাগের (২০২০-২১) শিক্ষার্থীবৃন্দ ।