গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আতিয়া ঐশী
প্রকাশিত: ২৬ জুন ২০২৬, ১০:৩৫ পিএম
শনিবার ২৭, জুন ২০২৬ -- : -- --
ছবি।ক্যাম্পাস রিপোর্ট
বিশ্বখ্যাত টাইমস হায়ার এডুকেশন প্রকাশিত ইমপ্যাক্ট র্যাঙ্কিং ২০২৬-এ দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে আবারও শীর্ষস্থান অর্জন করেছে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (গাকৃবি)। একই সঙ্গে বৈশ্বিক র্যাঙ্কিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টি ৪০১–৬০০ ব্যান্ডে স্থান করে নিয়েছে, যা দেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা খাতের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন।
টাইমস হায়ার এডুকেশন সম্প্রতি এ র্যাঙ্কিং প্রকাশ করে। এবারের তালিকায় বিশ্বের ১১৬টি দেশ ও অঞ্চলের ১,৬৪৬টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে। বাংলাদেশের ৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এ র্যাঙ্কিংয়ে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। জাতিসংঘ ঘোষিত ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs) বাস্তবায়নে শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং সামাজিক অবদানের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মূল্যায়ন করা হয়।
প্রকাশিত ফলাফলে এসডিজি-১ (দারিদ্র্যমুক্তি) সূচকে ৭৪.৮ স্কোর নিয়ে গাকৃবি বিশ্বে ৮২তম এবং এসডিজি-২ (ক্ষুধামুক্তি) সূচকে ৭৮.৩ স্কোর নিয়ে ৬৬তম অবস্থান অর্জন করেছে। এছাড়া এসডিজি-৪ (মানসম্মত শিক্ষা) সূচকে ৬৮.৫–৭৪.৫ স্কোর নিয়ে ১০১–২০০ ব্যান্ডে স্থান পেয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।
গত বছর একই র্যাঙ্কিংয়ে গাকৃবির বৈশ্বিক অবস্থান ছিল ৮০১–১০০০ ব্যান্ডে। মাত্র এক বছরের ব্যবধানে ৪০১–৬০০ ব্যান্ডে উন্নীত হওয়াকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ একাডেমিক উৎকর্ষ, গবেষণা সক্ষমতা এবং টেকসই উন্নয়নের প্রতি অঙ্গীকারের প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করেছে।
এ অর্জনের প্রতিক্রিয়ায় গাকৃবির উপাচার্য প্রফেসর ড. জি.কে.এম. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এই সাফল্য শুধু একটি র্যাঙ্কিংয়ের অর্জন নয়, বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, অ্যালামনাই এবং সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সম্মিলিত প্রচেষ্টার স্বীকৃতি। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিকমানের শিক্ষা, গবেষণা এবং মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন নেতৃত্ব তৈরির মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন ও বৈশ্বিক টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে গাকৃবি ভবিষ্যতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়েও গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ধারাবাহিক সাফল্য অর্জন করেছে। এর মধ্যে WURI ২০২৬-এর Financial Impact Driven Transfer Technology ক্যাটাগরিতে বিশ্বের শীর্ষ ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ২৩তম স্থান এবং QS Sustainability Rankings ২০২৬-এ দেশের কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন উল্লেখযোগ্য।