সোমবার ২২, জুন ২০২৬

সোমবার ২২, জুন ২০২৬ -- : -- --

কৃষিবিদ ডা.পারভেজের ওপর হামলায় ক্ষোভ,বাকৃবিতে প্রতিবাদ

বাকৃবি থেকে মো.আবু হানিফ

প্রকাশিত: ২২ জুন ২০২৬, ০৪:০৭ পিএম

ছবি।ক্যাম্পাস রিপোর্ট

‎কৃষিবিদ ডা.শাহাদাত হোসেন পারভেজের ওপর হামলার প্রতিবাদে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২২ জুন) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলায় জাতীয়তাবাদী কৃষিবিদ ও পেশাজীবীবৃন্দের ব্যানারে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

‎জানা যায়, ডা. শাহাদাত হোসেন পারভেজ ভেটেরিনারি ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ভ্যাব) সাংগঠনিক সম্পাদক এবং অ্যাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। এছাড়াও তিনি বাকৃবি ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। গত ৪ জুন কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) চত্বরে তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এর প্রতিবাদ এবং হামলাকারীদের বিচারের দাবিতে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

‎কর্মসূচিতে এগ্রিকালচারিস্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (অ্যাব) সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কৃষিবিদ ড. সাদেকুজ্জামানের সঞ্চালনায় সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবি রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হেলাল উদ্দীন। এছাড়াও এসময় কেন্দ্রীয় অ্যাব ও ময়মনসিংহ অ্যাবের সাবেক নেতৃবৃন্দসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

‎প্রতিবাদ সভায় বক্তারা কৃষিবিদ ডা. শাহাদাত হোসেন পারভেজের ওপর সংঘটিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। তারা হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। একইসঙ্গে পেশাজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।

‎বক্তারা বলেন, একজন পেশাজীবীর ওপর এ ধরনের হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে বৃহত্তর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও তারা সতর্ক করেন।

‎সভাপতির বক্তব্যে কৃষিবিদ ড. মোঃ হেলাল উদ্দীন বলেন, গত ৪ঠা জুন কেআইবি চত্বরে আমাদের প্রিয় সহযোদ্ধা পারভেজের ওপর এক বর্বরোচিত ও ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনা ঘটেছে। ভাড়াটে গুন্ডা লেলিয়ে দিয়ে তাকে যেভাবে মারধর করা হয়েছে, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। মনে হয়েছে, কোনো ছিনতাইকারী বা ডাকাতকেও হয়তো রাস্তাঘাটে এভাবে পেটানো হয় না, যেভাবে একজন জুলাই যোদ্ধার ওপর হামলা চালানো হয়েছে। ১৭ বছর ধরে ঢাকার রাজপথে সবার আগে থেকে লড়াই করা একজন জুলাই যোদ্ধার ওপর এমন জুলুম ও বর্বর আক্রমণ দেখে আমার হৃদয় ভেঙে যাচ্ছে। এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

‎তিনি আরও বলেন, আমাদের মধ্যে মতপার্থক্য বা অনৈক্য থাকতেই পারে, কিন্তু একজনের গায়ে হাত তোলা বা কাউকে খুন করার মতো অপরাধী মানসিকতা যারা পোষণ করে, তাদের কোনো সংগঠনের নেতৃত্বে রাখা কোনোক্রমেই সমীচীন নয়। আমরা আর কোনো রক্তপাত বা অন্যায় সহ্য করব না।

Link copied!