প্রকাশিত: ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:২১ পিএম
দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) নৈতিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে জাতীয় নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাজধানীতে আয়োজিত “বিল্ডিং ইক্যুইটি: অ্যাসেসিং দ্য এক্সটেন্ডেড ইনক্লুসিভ এডুকেশন টুলকিট” শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান ইউজিসি চেয়ারম্যান ড. মামুন আহমেদ।
তিনি বলেন, সমতাভিত্তিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার রূপান্তরমূলক ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্যেই উচ্চশিক্ষায় এআই ব্যবহারের জন্য একটি সুদূরপ্রসারী জাতীয় নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে, যা শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনে প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ও নৈতিক ব্যবহার নিশ্চিত করবে।
এই কর্মশালাটি ব্রিটিশ কাউন্সিল-এর অর্থায়নে এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, নটিংহাম ট্রেন্ট ইউনিভার্সিটি ও কিং ফাহাদ ইউনিভার্সিটি অব পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মিনারেলস যৌথভাবে আয়োজন করে।
ইউজিসি চেয়ারম্যান আরও জানান, অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষায় এআই ব্যবহারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ লক্ষ্যে শিক্ষক ও একাডেমিক নেতৃত্বের দক্ষতা উন্নয়নে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি গ্রামীণ শিক্ষায় প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি, ভাষাগত প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণ এবং সম্পদের সমবণ্টনের মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গবেষণা ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, জাতীয় লক্ষ্য ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রাখতে প্রাতিষ্ঠানিক নির্দেশিকা এবং গুণগত মান নিশ্চয়তা কাঠামো প্রণয়নের কাজও এগিয়ে চলছে। এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এআই ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।
ড. মামুন আহমেদ আরও বলেন, বর্তমান বিশ্বে শিক্ষা কেবল প্রবেশাধিকারে সীমাবদ্ধ নয়; বরং সমতাভিত্তিক সুযোগ, অর্থবহ অংশগ্রহণ এবং সবার জন্য সফল ফলাফল নিশ্চিত করাই এখন প্রধান লক্ষ্য। শিক্ষায় অন্তর্ভুক্তি টেকসই উন্নয়ন ও সামাজিক ন্যায্যতার জন্য অপরিহার্য।
