প্রকাশিত: ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০৭ এএম
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)–এর বিভিন্ন প্রক্রিয়াগত পরিবর্তনের দাবিতে ৫ দফা প্রস্তাব তুলে ধরেছে ‘পিএসসি সংস্কার জোট’। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়।
সংস্কার জোটের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—বিসিএস চূড়ান্ত ফলাফলে রিপিট ক্যাডার সুপারিশ বন্ধ করা এবং ৪৫তম ও ৪৯তম বিসিএসে রিপিট সংশোধন করে সম্পূরক ফল প্রকাশ। পাশাপাশি শূন্যপদের বিপরীতে ৫ থেকে ৭ গুণ প্রার্থীকে ভাইভায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া, জেনারেল বিসিএস প্রার্থীদের মধ্য থেকে সর্বোচ্চ ননক্যাডার নিয়োগ নিশ্চিত করা, ২০২৩ সালের ননক্যাডার বিধিমালা বাতিল করে ২০১৪ সালের বিধিমালা পুনর্বহাল এবং লিখিত পরীক্ষার আগে পর্যাপ্ত সময় নির্ধারণের দাবিও জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, দেশের মেধাবী প্রার্থীরা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরও বহু পদ শূন্য থেকে যাচ্ছে, যা নিয়োগ ব্যবস্থার অসঙ্গতির ইঙ্গিত দেয়। এমনকি কিছু বিসিএসে ঘোষিত পদের তুলনায় কম প্রার্থীকে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ করার ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ তোলা হয়।
বক্তারা আরও দাবি করেন, সরকার যেখানে সংসদে বিপুলসংখ্যক শূন্যপদের কথা বলছে, সেখানে পিএসসি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় পদসংখ্যা বাড়ানোর পরিবর্তে সংকোচনের নীতি অনুসরণ করছে, যা বর্তমান প্রেক্ষাপটে অগ্রহণযোগ্য।
এ সময় ৪৫তম বিসিএসের এক আবেদনকারী একরামুল হক বলেন, “৪৪তম বিসিএসে নিয়োগ বিধি সংশোধন করে রিপিট ক্যাডার বাদ দিয়ে তিনবার ফলাফল প্রকাশ করা হয়, অথচ একই পিএসসি ৪৫তম বিসিএসে রিপিট সংশোধনে অনীহা প্রকাশ করছে, যেখানে বাংলাদেশের মতো জনবহুল দেশে চাকরির সংকট প্রকট সেখানে একই প্রার্থীকে একই ক্যাডারে একাধিকবার সুপারিশ করা বেকার মেধাবীদের সাথে উপহাস নয় কি?”
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব দাবির বাস্তবায়ন না হলে আরও কর্মসূচি ঘোষণার ইঙ্গিত দেন।
