প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৭ পিএম
সৌদি আরবে অবস্থানরত জরুরি দায়িত্বে নিয়োজিত নন—এমন মার্কিন সরকারি কর্মী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের দেশটি ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল শুক্রবার সৌদিতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস এ তথ্য জানিয়েছে। ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের ক্রমবর্ধমান হামলার আশঙ্কার মধ্যে এ নির্দেশ দেওয়া হলো।
বেসামরিক স্থাপনায় হামলা, বাড়ছে নিরাপত্তাঝুঁকি
এক সতর্কবার্তায় মার্কিন দূতাবাস বলেছে, সৌদি আরবের বেসামরিক বিমানবন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে হুতিদের হামলায় হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। এতে যাতায়াতব্যবস্থাও বিঘ্নিত হয়েছে। পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে এবং সংঘাত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর সৌদি আরবের বিমানবন্দর ব্যবহারের ক্ষেত্রে মার্কিন সরকারি কর্মীদের বিশেষ অনুমতি নিতে হবে বলেও সতর্কবার্তায় জানানো হয়েছে।
বিমানবন্দর চালু থাকলেও ফ্লাইটে বিঘ্ন
মার্কিন দূতাবাস জানিয়েছে, রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আংশিকভাবে চালু হয়েছে। অন্যদিকে, জেদ্দা ও দাম্মামের বিমানবন্দর চালু থাকলেও সেখান থেকে ফ্লাইট ছাড়তে দেরি হচ্ছে এবং কিছু ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
সৌদি আরবে আকাশপথে চলাচলের সময় মার্কিন নাগরিকদের অত্যন্ত সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে দূতাবাস। পাশাপাশি, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার দৃশ্য কিংবা হামলার স্থানের ছবি তুলতে নিষেধ করা হয়েছে। সৌদি আরবের আইন অনুযায়ী, এ ধরনের ছবি তোলা নিষিদ্ধ বলে সতর্ক করেছে মার্কিন মিশন।
সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনায় হামলার দাবি
হুতিদের হামলার মধ্যে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট গত বৃহস্পতিবার জানিয়েছিল, রিয়াদ লক্ষ্য করে ছোড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত ও ধ্বংস করেছে দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা।
গতকাল শুক্রবার জোট আরও জানায়, সৌদি আরবের পশ্চিমাঞ্চল লক্ষ্য করে ছোড়া হুতিদের একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং রিয়াদ অঞ্চলে পাঠানো একটি ড্রোন প্রতিহত করা হয়েছে।
