বুধবার ১৬, সেপ্টেম্বর ২০২৬

বুধবার ১৬, সেপ্টেম্বর ২০২৬ -- : -- --

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ার উচ্চমাধ্যমিকে পরিবহন ফি আছে,নেই নিজস্ব পরিবহন

ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে রাকিব হোসেন

প্রকাশিত: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩১ পিএম

ছবি। ক্যাম্পাস রিপোর্ট

৮০০ টাকা পরিবহন ফি দিয়েও যাতায়াতের যথাযথ সুবিধা পাচ্ছেন না বলে দাবি করেছেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের উচ্চমাধ্যমিক শাখার শিক্ষার্থীরা। প্রয়োজনীয় পরিবহন সুবিধা না থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন শাখাটির প্রায় আড়াই হাজার শিক্ষার্থী।

কলেজ সূত্রে জানা গেছে, প্রতি বছর ভর্তির সময় একজন শিক্ষার্থীকে ৮০০ টাকা করে পরিবহন ফি দিতে হয়। সে হিসাবে উচ্চমাধ্যমিক শাখার শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা পরিবহন ফির পরিমাণ প্রায় ২০ লাখ টাকা। কলেজে বর্তমানে ১৩টি বাস রয়েছে। এসব বাস ডিগ্রি শাখা থেকে কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন রুটে চলাচল করে। বাসগুলো সকাল ৯টার দিকে কলেজে পৌঁছে এবং দুপুর আড়াইটার দিকে কলেজ থেকে ছেড়ে যায়।

উচ্চমাধ্যমিক শাখার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এ শাখা থেকে ডিগ্রি শাখায় যেতে প্রায় দুই কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হয়। এ পথে প্রায়ই তীব্র যানজট থাকায় অনেক শিক্ষার্থী ডিগ্রি শাখা থেকে পরিচালিত কলেজের পরিবহন ব্যবহার করতে পারেন না। ফলে কলেজের পরিবহন না পেলে বাড়তি খরচ করে বিকল্প যানবাহনে বাড়ি ফিরতে হয় তাদের।

শিক্ষার্থীরা বলছেন, কুমিল্লা নগরী ও জেলার উপশহরগুলোতে উচ্চমাধ্যমিক শাখা থেকে সরাসরি মিনিবাসের ব্যবস্থা করা হলে তাদের যাতায়াতের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে।

উচ্চমাধ্যমিক শাখার বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ রফসান বলেন, ‘উচ্চমাধ্যমিক শাখার জন্য আলাদা বাস দরকার ছিল। যে বাসগুলো শহরের আশপাশে যাতায়াত করবে। উচ্চমাধ্যমিক শাখা থেকে ডিগ্রি শাখায় যেতে যে খরচ হয়, তার সঙ্গে কিছু টাকা যোগ করলে আমরা বাসায় চলে যেতে পারি।’

ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থী ফাহিম সরকার বলেন, ‘আমাদের জন্য মিনি বাস খুবই দরকার। যে বাস শহরে যাতায়াত করবে। তাহলে আমরা সহজেই কলেজে আসতে পারব। উচ্চমাধ্যমিক শাখার নিজস্ব বাস না থাকায় আমরা ভোগান্তিতে পড়েছি।’

কলেজের পরিবহন নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রাজু আহমেদ বলেন, ‘উচ্চমাধ্যমিক ও ডিগ্রি শাখার জন্য একই বাস। উচ্চমাধ্যমিক শাখার শিক্ষার্থীদের ডিগ্রি শাখায় এসে যাতায়াত করতে হয়।’

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আবুল বাসার ভূঞা বলেন, ‘আমাদের কলেজে ১৩টি বাস রয়েছে। এসব বাস বিভিন্ন রুটে চলাচল করে। নতুন করে উচ্চমাধ্যমিক শাখার জন্য আলাদা বাস দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তবে আলোচনা সাপেক্ষে আমরা কিছু মিনিবাসের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা করছি। এটি আমাদের পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে।’

Link copied!