প্রকাশিত: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৮ পিএম
স্টার্টআপ ওয়ার্ল্ড কাপ বাংলাদেশ ২০২৬-এর গ্র্যান্ড ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ‘থিতান’। প্রথম রানারআপ হয়েছে ‘গ্রিন পোলারিস লিমিটেড’ এবং দ্বিতীয় রানারআপ হয়েছে ‘শূন্য’।
সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সাভারের ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয় প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফাইনাল।বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনোভেশন অ্যান্ড এন্টারপ্রেনারশিপ বিভাগ এ আয়োজন করে। এতে কারা বাংলাদেশ ও অ্যাক্সিওন বাংলাদেশ ইভেন্ট পার্টনার হিসেবে সহযোগিতা করেছে।
গ্র্যান্ড ফাইনালে দেশের সেরা ১০টি স্টার্টআপ দল অংশ নেয়। চ্যাম্পিয়ন ও রানারআপ দলগুলো মোট ১ লাখ টাকা পুরস্কার পাওয়ার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোতে অনুষ্ঠিতব্য গ্লোবাল স্টার্টআপ ওয়ার্ল্ড কাপের বাংলাদেশ প্রতিনিধি হিসেবে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে। সেখানে তারা ১০ লাখ মার্কিন ডলার বিনিয়োগ পুরস্কারের জন্য নিজেদের উদ্যোগ উপস্থাপনের সুযোগ পাবে।
এ ছাড়া শীর্ষ ১০টি দল সান ফ্রান্সিসকোতে বিশেষ নেটওয়ার্কিং সেশনে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণও পেয়েছে। এর ফলে উদ্যোক্তারা আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী, শিল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও ব্যবসায়িক অংশীদারদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ পাবেন।
সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান। প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এম. আর. কবির। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের পেগাসাস টেক ভেঞ্চারসের ডেভেলপমেন্ট পরিচালক জাস্টিন জ্যাকসন, আইসিটি বিভাগের উপসচিব মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম খান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাসুম ইকবাল।
স্টার্টআপ ওয়ার্ল্ড কাপ বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশের প্রথম ইনোভেশন অ্যান্ড এন্টারপ্রেনারশিপ বিভাগের প্রধান মো. কামরুজ্জামান সিদ্দার। প্রোগ্রাম ডিরেক্টর হিসেবে রয়েছেন তরুণ উদ্যোক্তা ও লাইভ শপিংয়ের সিইও ও প্রতিষ্ঠাতা মো. আশিক খান।
অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ড. এম. আর. কবির বলেন, শিক্ষার্থীদের বাস্তবভিত্তিক শিক্ষা দেওয়ার ধারাবাহিকতায় ইনোভেশন অ্যান্ড এন্টারপ্রেনারশিপ বিভাগ দ্বিতীয়বারের মতো স্টার্টআপ ওয়ার্ল্ড কাপ আয়োজন করেছে। এর মাধ্যমে দেশের সম্ভাবনাময় স্টার্টআপগুলোকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরার পাশাপাশি বাংলাদেশের উদ্ভাবনী সক্ষমতাকে বিশ্বমঞ্চে প্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
পেগাসাস টেক ভেঞ্চারসের জাস্টিন জ্যাকসন বলেন, বিশ্বের অন্যতম বড় স্টার্টআপ প্রতিযোগিতা হিসেবে স্টার্টআপ ওয়ার্ল্ড কাপ বিভিন্ন দেশের মেধাবী উদ্যোক্তাদের বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইনোভেশন অ্যান্ড এন্টারপ্রেনারশিপ বিভাগ জানিয়েছে, দেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমকে আরও শক্তিশালী করতে এ ধরনের আয়োজন নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে। উদ্ভাবন, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে এসব উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
