প্রকাশিত: ১৬ নভেম্বর ২০২৫, ০৮:৫০ পিএম
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি পদ্ধতি চালু করতে সক্রিয় হয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। দীর্ঘদিনের দাবি থাকা সত্ত্বেও বদলি ব্যবস্থা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। সম্প্রতি মন্ত্রণালয় মাঠ পর্যায় থেকে শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহ করে দ্রুত বদলি কার্যক্রম শুরু করার উদ্যোগ নিয়েছে। তাদের মতে, বদলি চালু হলে শিক্ষক সংকট কমবে এবং দূরবর্তী স্থানে কর্মরত শিক্ষকদের ভোগান্তিও লাঘব হবে।
অন্যদিকে এনটিআরসিএ ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে উত্তীর্ণ হলেও সুপারিশবঞ্চিত প্রার্থীদের নিয়োগ দিতে চায়। সংস্থাটি চাইছে, সারাদেশে চিহ্নিত শূন্য পদগুলোকে ৬ষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তিতে সুপারিশবঞ্চিতদের নিয়োগে ব্যবহার করা হোক। তাদের যুক্তি, বয়সজনিত সমস্যা না থাকায় এ প্রার্থীদের নিয়োগ দিলে শূন্য পদের সংখ্যা দ্রুত কমে আসবে। কিন্তু শূন্য পদগুলো বদলি কার্যক্রমের জন্য সংরক্ষণ করা হলে সেই সুযোগ সীমিত হয়ে যাবে বলে তারা আশঙ্কা করছে।
দুই সংস্থার এই ভিন্নমত শূন্য পদের ব্যবহার নিয়ে জটিলতা তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, বদলি কার্যক্রম এবং নিয়োগ—উভয়ই সময়সাপেক্ষ প্রক্রিয়া। শূন্য পদের নির্ভুল সংখ্যা জানা না গেলে কোনো সিদ্ধান্তই সহজে বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।
এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং এনটিআরসিএর কর্মকর্তারা প্রকাশ্যে মন্তব্য না করলেও অনেকে বলছেন, নীতিমালা অনুযায়ী বদলি কার্যক্রম অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত। একইসঙ্গে এনটিআরসিএ জানিয়েছে, তারা সুপারিশবঞ্চিতদের জন্য সর্বোচ্চ সুযোগ তৈরিতে আলোচনা অব্যাহত রাখবে।
