প্রকাশিত: ০৯ মার্চ ২০২৬, ০৫:৪৭ পিএম
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ষষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সুপারিশ পাওয়া হলেও এখনো এমপিওভুক্ত হতে পারেননি—এমন শিক্ষকদের জন্য ইতিবাচক উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বিভিন্ন প্রশাসনিক জটিলতা ও প্রতিষ্ঠানের সমস্যার কারণে যারা এমপিওভুক্ত হতে পারেননি, তাদের অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পুনরায় সুপারিশ করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৯ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বেসরকারি মাধ্যমিক) মো. মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে তাঁর কার্যালয়ে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের যুগ্মসচিব (বেসরকারি মাধ্যমিক) মো. হেলালুজ্জামান সরকার, উপসচিব (বেসরকারি মাধ্যমিক-৩) সাইয়েদ এ জেড মোরশেদ, উপসচিব (বেসরকারি মাধ্যমিক-২) হুরে জান্নাত এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) উপপরিচালক ইউনুছ ফারুকীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় উপস্থিত এক কর্মকর্তা জানান, ষষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সুপারিশ পাওয়ার পরও নানা কারণে অনেক শিক্ষক এখনো এমপিওভুক্ত হতে পারেননি। এ কারণে চলতি মার্চ মাস থেকেই মাঠ পর্যায় থেকে তাদের তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু করা হবে। এ প্রক্রিয়ায় কোন শিক্ষক কী কারণে এমপিও সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, তা চিহ্নিত করা হবে।
তিনি আরও বলেন, তথ্য সংগ্রহ শেষে যেসব শিক্ষকের এমপিওভুক্ত না হওয়ার পেছনে প্রতিষ্ঠানের সমস্যা বা ত্রুটি রয়েছে, তাদের অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে পুনরায় নিয়োগের সুপারিশ করার উদ্যোগ নেবে এনটিআরসিএ। এতে দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষায় থাকা অনেক শিক্ষকের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হবে।
এই শিক্ষকদের কোথায় সুপারিশ করা হবে—এ প্রশ্নের উত্তরে ওই কর্মকর্তা জানান, প্রথমে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের নিজ জেলার কোনো প্রতিষ্ঠানে সুপারিশ করার চেষ্টা করা হবে। যদি তা সম্ভব না হয়, তাহলে কাছাকাছি অন্য কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তাদের সুপারিশ করা হবে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে দীর্ঘদিন ধরে এমপিওভুক্তির অপেক্ষায় থাকা অনেক শিক্ষক অবশেষে সরকারি বেতন–ভাতার সুবিধা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।
