প্রকাশিত: ০৯ আগস্ট ২০২৬, ০৯:২৮ এএম
খেলাফত মজলিস মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের বলেন, কওমি মাদরাসার ছাত্ররা দেশের জন্য অনেক বড় সম্পদ। তাদের মাধ্যমে গোটা জাতি উপকৃত হতে পারে, এমন ব্যবস্থা করতে হবে। দেশের শিক্ষিত শ্রেণির মাঝেও নৈতিকতার যে ঘাটতি দেখা যায়, তা মূলত যথাযথ ধর্মীয় শিক্ষা না থাকার ফল। সুতরাং সকল স্তরে ধর্মীয় শিক্ষা সংযোজন এবং কওমি সনদের বাস্তবায়নসহ পুরো শিক্ষানীতি ঢেলে সাজানো প্রয়োজন। একই সঙ্গে সরকারকে শিক্ষাখাতের ব্যাপারে আরও বেশি গুরুত্বারোপ করতে হবে। বরাদ্দ বাড়িয়ে সকল শ্রেণির মানুষের জন্য শিক্ষাকে সহজলভ্য করা ব্যতীত জাতিগত উন্নতি সম্ভব নয়। ইসলামী ছাত্র মজলিস উত্থাপিত ১৩ দফার প্রত্যেকটি দাবি পূরণ করা এখন সময়ের তাগিদ। সুতরাং এগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে।”
এ সময় তিনি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নতুন করে সন্ত্রাসী কার্যক্রমের আস্ফালন দেখে ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেন এবং তা বন্ধের আহ্বান জানান।
আজ সকাল ১০টায় রাজধানীর রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মদ রায়হান আলীর সভাপতিত্বে ১৩ দফা শিক্ষা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন খেলাফত মজলিস মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের।
সেক্রেটারি জেনারেল জাকারিয়া হোসাইন জাকিরের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ড. আব্দুল লতিফ মাসুম, খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, ইসলামী ঐক্য আন্দোলনের আমীর ড. মাওলানা ঈসা শাহেদী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু বিভাগের অধ্যাপক ড. মুফতি গোলাম রব্বানী, খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমীর মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের যাকাত বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মাওলানা ওয়ালিউর রহমান খান, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট একেএম বদরুদ্দোজা, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক ড. একেএম এনামুল হক, ইসলামিক স্কলার শায়খ মাওলানা আবু মোহাম্মদ রাহমানী, সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা রুহুল আমিন সাদী, দারুল উলুম ঢাকার মুহতামিম মাওলানা আব্দুল্লাহ ইয়াহইয়া, পয়ামে ইনসাফিয়াত বাংলাদেশের আমীর ড. মাওলানা শহিদুল ইসলাম ফারুকী, সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি অ্যাডভোকেট শাইখুল ইসলাম, বয়ান বিশ্বকোষের লেখক মুফতি মহিউদ্দিন কাসেমী, সময় টিভির সিনিয়র সাব-এডিটর মুফতি আব্দুল্লাহ তামীম, জাতীয় লেখক পরিষদের সভাপতি মাওলানা সৈয়দ শামছুল হুদা, কেরানীগঞ্জ কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাব্বত হোসাইন, প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ সহসম্পাদক শায়খ মনযূরুল হক, ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের সভাপতি মাওলানা আশরাফ মাহদী, জাস্টিস অ্যান্ড ডেমোক্রেসি পার্টির আহ্বায়ক নাঈম আহমদ, খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি অধ্যাপক মাওলানা আজিজুল হক, উত্তরের সভাপতি অধ্যাপক মাওলানা সাইফ উদ্দিন আহমদ খন্দকার, নয়াটোলা এইউএন কামিল মাদরাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা ফারুক আহমদ ভূঁইয়া, কওমি বিভাগের মুহতামিম মাওলানা এহতেশামুল হক নোমানী, ড. মাহমুদুল হাসান কিবরিয়া, শাপলা স্মৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা কামাল উদ্দিন, যুব মজলিসের সহসাধারণ সম্পাদক মুফতি শাব্বির আহমদ এবং বৈষম্যবিরোধী কওমি ছাত্র আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক জুনাইদ আহমদ মাকসুদ।
কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীলদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রশিক্ষণ ও ক্যাম্পাস সম্পাদক মুহাম্মদ ইসমাঈল খন্দকার, বায়তুলমাল সম্পাদক আহসান আহমাদ খান, অফিস সম্পাদক নুর মোহাম্মদ, মাদ্রাসা কার্যক্রম ও পাঠাগার সম্পাদক মাহমুদুল হাসান রাসেল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এইচ এম শাহাব উদ্দিন, কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সভাপতি সাইফুদ্দিন আহমদ, কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি পরিষদ সদস্য ও কুমিল্লা মহানগরীর সভাপতি মুহাম্মদ ইকরামুল হক প্রমুখ।
