বৃহস্পতিবার ২৪, সেপ্টেম্বর ২০২৬

বৃহস্পতিবার ২৪, সেপ্টেম্বর ২০২৬ -- : -- --

উত্তরা থেকে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করল ‘আনশিন জাপান’ ঢাকা অফিস

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৪ পিএম

ছবি| ক্যাম্পাস রিপোর্ট

সততা, স্বচ্ছতা ও ইনসাফ এই তিন নীতিকে প্রতিপাদ্য করে ২০২২ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘আনশিন জাপান ল্যাংগুয়েজ ট্রেনিং সেন্টার’ দক্ষতা ও সুনামের সঙ্গে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। জাপানি ভাষা শিক্ষা ও স্টুডেন্ট ভিসা প্রসেসিংয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠানটি ইতোমধ্যে জাপানগামী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কাছে পরিচিতি লাভ করেছে।
আনশিন জাপানের প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রামে। পাশাপাশি মিরসরাই, মুন্সিগঞ্জ ও নোয়াখালীতে প্রতিষ্ঠানটির শাখা অফিস রয়েছে। জাপানে যাওয়ার আগ্রহী শিক্ষার্থীদের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে এবার আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে আনশিন জাপানের ঢাকা অফিস।
গত ২১ সেপ্টেম্বর (সোমবার) সন্ধ্যায় ঢাকার উত্তরা ১৩ নম্বর সেক্টরে ‘স্টাইপেন্ড একাডেমি’ ও ‘আনশিন জাপান’-এর মধ্যে যৌথ চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে ঢাকা অফিসের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। স্টাইপেন্ড একাডেমির সিইও এম এ আলম সবুজ এবং আনশিন জাপানের সিইও তারিকুল ইসলাম চুক্তিনামায় স্বাক্ষর করেন।
তারিকুল ইসলাম আনশিন জাপানের প্রতিষ্ঠাতা। বর্তমানে তিনি প্রতিষ্ঠানটির টোকিও অফিসে কর্মরত রয়েছেন। অন্যদিকে, এম এ আলম সবুজ ঢাকা অফিসের পরিচালক ও ইনচার্জের দায়িত্ব পালন করছেন।
যৌথ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে স্টাইপেন্ড একাডেমির প্রধান উপদেষ্টা হাসান মাহমুদ, ভাইস-চেয়ারম্যান রফিকুর রহমান, একাডেমিক হেড এনামুল হকসহ অন্যান্য শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে আনশিন জাপানের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও তারিকুল ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা ও ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রে জাপান একটি সম্ভাবনাময় দেশ। এই সুযোগকে কাজে লাগাতে আনশিন জাপান অগ্রণী ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে আনশিন জাপান ঢাকা অফিস বৃহত্তর উত্তরাবাসীদের জাপান যাওয়ার স্বপ্ন পূরণে বিশেষ সুযোগ নিয়ে পাশে থাকবে সর্বদা।’
আনশিন জাপান ঢাকা অফিসের ঠিকানা প্লট-৪২, রোড-০৭, সেক্টর-১৩, উত্তরা, ঢাকা।
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চলতি বছরে বিভিন্ন খ্যাতিমান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে আনশিন জাপানের প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী জাপানে গিয়েছে। এছাড়া দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী ও কেয়ারগিভার ভিসার আবেদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রত্যাশা, ২০২৭ সালের শুরুতেই এসব শিক্ষার্থীর জাপান যাওয়ার প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হবে।

Link copied!