ইয়ামিন আহমেদ,যবিপ্রবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২২ জুলাই ২০২৬, ০৬:২২ পিএম
বৃহস্পতিবার ২৩, জুলাই ২০২৬ -- : -- --
ছবি। ক্যাম্পাস রিপোর্ট
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) কর্মরত বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে মৌসুমি ফল উৎসব। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর। এ সময় সাবেক শিক্ষার্থীরা নিজেদের কর্মক্ষেত্রের অভিজ্ঞতা, অর্জন এবং বিভিন্ন সমস্যা ও দাবির বিষয় তুলে ধরেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে।
বুধবার (২২ জুলাই) বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) এ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান। এছাড়া রেজিস্ট্রার কাজী মো. জালাল উদ্দীনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত যবিপ্রবির সাবেক শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসাইন্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুর রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীরা বর্তমানে শিক্ষক, কর্মকর্তা, ছাত্র উপদেষ্টা, প্রভোস্ট ও প্রক্টরিয়াল বডিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতি না পাওয়া, অস্থায়ী পদ স্থায়ীকরণে জটিলতা এবং বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য শিক্ষা ছুটি পেতে নানা প্রতিবন্ধকতার মতো বিষয়গুলো দ্রুত সমাধানের দাবি জানান তিনি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, যাঁরা এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করে এখানেই শিক্ষক ও কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, তাঁরাই বিশ্ববিদ্যালয়কে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন। শিক্ষা ছুটি ও পদোন্নতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও নীতিমালার আলোকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর বলেন, অনুষ্ঠানে উত্থাপিত সমস্যাগুলো শুধু সাবেক শিক্ষার্থীদের নয়, বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক উন্নয়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। এসব বিষয়ে প্রশাসন আন্তরিকভাবে কাজ করবে। পাশাপাশি তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি দায়িত্ববোধ ও ইতিবাচক ভূমিকা পালনের জন্য সকল সাবেক শিক্ষার্থীর প্রতি আহ্বান জানান।
আয়োজকরা জানান, এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি বৃদ্ধি, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ আরও জোরদার হবে।