রবিবার ১২, জুলাই ২০২৬

রবিবার ১২, জুলাই ২০২৬ -- : -- --

রাবিতে সরোয়ার তুষার

রাবি থেকে মো.রেজওয়ান

প্রকাশিত: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪৭ এএম

ছবি।ক্যাম্পাস রিপোর্ট

সাধারণ মানুষের সন্তানদেরই রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ নিশ্চিত করতে চাই বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার তুষার।শুক্রবার রাত এগারোটায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেট চত্বরে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এই মন্তব্য করেন তিনি।এদিন এনসিপির জুলাই পদযাত্রার অংশ হিসেবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন দলের নেতারা। 

সরোয়ার তুষার বলেন, বর্তমান সংসদের উল্লেখযোগ্য অংশ পারিবারিক রাজনৈতিক পরিচয়ের মাধ্যমে রাজনীতিতে এসেছে। এই ‘কোটা’ সংস্কৃতি পরিবর্তনে সাধারণ মানুষের আরও সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। এনসিপির লক্ষ্য এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা, যেখানে কৃষক, শ্রমিক, ভ্যানচালক কিংবা সাধারণ পরিবারের সন্তানেরাও যোগ্যতার ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের সুযোগ পাবেন।

তিনি আরও বলেন, এনসিপির অনেক নেতা–কর্মী প্রচলিত রাজনৈতিক ধারার মাধ্যমে নয়, বরং একটি গণসংগ্রামের উত্তরাধিকার (লেগ্যাসি) থেকে রাজনীতিতে এসেছেন। সেই সংগ্রামের চেতনাকেই তাঁরা সামনে এগিয়ে নিতে চান। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় নেতৃত্ব তৈরির অন্যতম কেন্দ্র। রাজনীতি, সাহিত্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন। আপনারা আগামীতেও এই ভুমিকা রাখবেন বলে আশা করি। ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে। রক্তের বিনিময়ে স্বাধীনভাবে কথা বলার অধিকার অর্জিত হয়েছে। তাই অন্যায়ের বিরুদ্ধে নীরব থাকার সুযোগ নেই।

এসময় এনসিপির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম বলেন, বর্তমান ক্ষমতাসীন দল বিএনপি বা ছাত্রদল অতীতের ছাত্রলীগের মতো দমন-পীড়নের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ফিরতে পারবে না। কেউ যদি সেই পথে হাঁটতে চায়, তাহলে আবারও ১৬ জুলাইয়ের মতো প্রতিরোধ গড়ে উঠবে। অতীতের পরিণতি সবাই দেখেছে বলেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার সুযোগ কম। 

তিনি আরও বলেন, দেশে ফ্যাক্ট-চেকের চর্চা বাড়লে রাজনৈতিক দলগুলোকেও জবাবদিহির মধ্যে রাখা সহজ হবে এবং দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

উল্লেখ্য, এনসিপি নেতা মেস্তাফিজ ও অন্যান্য নেতাকর্মীসহ প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী এতে উপস্থিত ছিলেন।

Link copied!