মৌলভীবাজার থেকে রাজন হোসেন তৌফিক
প্রকাশিত: ২০ জুন ২০২৬, ১২:২৯ পিএম
রবিবার ২১, জুন ২০২৬ -- : -- --
সংগৃহীত ছবি
‘চা শিল্পের উন্নতি, সবুজ হোক অর্থনীতি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ শনিবার (২০ জুন) মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে উদযাপিত হচ্ছে জাতীয় চা দিবস ২০২৬। দিবসটি উপলক্ষে দেশের চা শিল্পে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রদান করা হবে ‘জাতীয় চা পুরস্কার ২০২৬’।
বাংলাদেশ চা বোর্ডের উদ্যোগে শ্রীমঙ্গল অডিটরিয়াম কাম মাল্টিপারপাস হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দিবসটির উদ্বোধন করবেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সকাল ১১টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিনব্যাপী কর্মসূচির সূচনা হবে। পরে চা শিল্পবিষয়ক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন, আলোচনা সভা এবং মতবিনিময় পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। এতে চা শিল্পের বর্তমান অবস্থা, উৎপাদন বৃদ্ধি, বাজার সম্প্রসারণ, রপ্তানি সম্ভাবনা এবং শ্রমিক কল্যাণসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান। স্বাগত বক্তব্য রাখবেন বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী।
এবার দেশের চা শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আটটি ক্যাটাগরিতে ‘জাতীয় চা পুরস্কার ২০২৬’ প্রদান করা হবে। পাশাপাশি প্রথমবারের মতো ‘শ্রেষ্ঠ বটলিফ চা কারখানা’ ক্যাটাগরিতেও বিশেষ পুরস্কার দেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বিজয়ীদের হাতে ট্রফি ও সনদ তুলে দেবেন।
দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ চা বোর্ড এবং দেশের শীর্ষস্থানীয় চা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণে একটি বিশেষ চা প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। প্রদর্শনীতে চা শিল্পের বিভিন্ন পণ্য, প্রযুক্তি এবং নতুন উদ্ভাবন তুলে ধরা হবে।
বাংলাদেশ চা বোর্ড জানিয়েছে, প্রতি বছর ২১ মে জাতীয় চা দিবস পালনের সিদ্ধান্ত থাকলেও চলতি বছর আনুষ্ঠানিক আয়োজন ২০ জুন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
চা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে ১৭২টি চা বাগান রয়েছে। ঐতিহ্যবাহী চা উৎপাদন অঞ্চলগুলোর পাশাপাশি উত্তরাঞ্চলের সমতল এলাকাতেও চা চাষের বিস্তার ঘটেছে। চায়ের রাজধানী হিসেবে পরিচিত শ্রীমঙ্গলে এবার ষষ্ঠবারের মতো জাতীয় চা দিবস উদযাপিত হচ্ছে। দিনব্যাপী কর্মসূচিতে চা শিল্পসংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তা, শ্রমিক প্রতিনিধি, গবেষক ও বিভিন্ন অংশীজন অংশ নেবেন।