প্রকাশিত: ১১ জুন ২০২৬, ০৬:২১ পিএম
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বায়ুদূষণ পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থাকে আরও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাজেট প্রস্তাবে ১৫টি স্থায়ী স্বয়ংক্রিয় বায়ুর মান পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র (ক্যামস) এবং ১৬টি সমন্বিত স্বয়ংক্রিয় বায়ুর মান পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র (সি-ক্যামস) পরিচালনার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি যানবাহনের দূষণ কমাতে ১০টি আধুনিক ভেহিকেল ইন্সপেকশন সেন্টার স্থাপন এবং বৈদ্যুতিক বাসসেবা চালুর পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরা হয়েছে।
তবে পরিবেশবিদদের মতে, শুধু বায়ুর মান পর্যবেক্ষণ বাড়ালেই দূষণ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। দূষণের প্রধান উৎসগুলো চিহ্নিত করে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ ছাড়া পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে না। তাঁদের দাবি, এবারের বাজেটে বায়ুদূষণের মূল কারণগুলো মোকাবিলায় সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনার অভাব রয়েছে।
বায়ুমণ্ডলীয় দূষণ অধ্যয়নকেন্দ্রের (ক্যাপস) চেয়ারম্যান আহমেদ কামরুজ্জামান মজুমদার প্রথম আলোকে বলেন, ‘বাজেটে পরিবেশ দূষণ কমানোর ক্ষেত্রে কিছু ইতিবাচক দিক রয়েছে। বায়ুর মান পর্যবেক্ষণ বাড়ানোর উদ্যোগও ভালো। কিন্তু সার্বিকভাবে বায়ুদূষণ কমাতে যথাযথ ও সুনির্দিষ্ট কোনো প্রস্তাব নেই। দূষণের উৎস বন্ধ করার বিষয়ে কোনো স্পষ্ট পরিকল্পনা আমরা দেখিনি।’
তিনি আরও বলেন, ‘ঢাকার বায়ুদূষণের বড় উৎস পুরোনো যানবাহন, অবৈধ ও দূষণকারী ইটভাটা, নির্মাণকাজের ধুলা এবং শিল্পকারখানার নির্গমন। এসব উৎস নিয়ন্ত্রণে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে, বাজেট বক্তৃতায় তার কোনো দিকনির্দেশনা নেই। যদি দূষণের উৎসই বন্ধ করা না যায়, তাহলে শুধু পর্যবেক্ষণ করে কী হবে?’
পরিবেশবিদদের মতে, রাজধানীর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা শব্দদূষণ। কিন্তু প্রস্তাবিত বাজেটে এ বিষয়ে উল্লেখযোগ্য কোনো উদ্যোগের প্রতিফলন দেখা যায়নি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বায়ুর মান পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে দূষণের মাত্রা ও প্রবণতা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়। তবে সেই তথ্যের ভিত্তিতে দূষণকারী যানবাহন অপসারণ, ইটভাটার আধুনিকায়ন বা বন্ধকরণ, শিল্পকারখানায় নির্গমন নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তি বাধ্যতামূলক করা এবং নির্মাণকাজে ধুলা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে কাঙ্ক্ষিত ফল অর্জন কঠিন হবে।
পরিবেশবিদদের ভাষ্য, জলবায়ু ও পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়ে সরকারের অঙ্গীকার থাকলেও এবারের বাজেটে বায়ুদূষণ মোকাবিলায় পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব বেশি দেওয়া হয়েছে। তবে দূষণের মূল উৎস নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় রূপরেখা তুলনামূলকভাবে অনুপস্থিত রয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বায়ুর মান পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে দূষণের মাত্রা ও প্রবণতা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়। তবে সেই তথ্যের ভিত্তিতে দূষণকারী যানবাহন অপসারণ, ইটভাটার আধুনিকায়ন বা বন্ধকরণ, শিল্পকারখানায় নির্গমন নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তি বাধ্যতামূলক করা এবং নির্মাণকাজে ধুলা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে কাঙ্ক্ষিত ফল অর্জন কঠিন হবে।
পরিবেশবিদদের ভাষ্য, জলবায়ু ও পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়ে সরকারের অঙ্গীকার থাকলেও এবারের বাজেটে বায়ুদূষণ মোকাবিলায় পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব বেশি দেওয়া হয়েছে। তবে দূষণের মূল উৎস নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় রূপরেখা তুলনামূলকভাবে অনুপস্থিত রয়েছে।
