রবিবার ২১, জুন ২০২৬

রবিবার ২১, জুন ২০২৬ -- : -- --

গ্রামীণ শিক্ষার্থীদের জন্য কুবির সাত শিক্ষার্থীর ‘বন্ধুস্কুল’

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০ জুন ২০২৬, ১১:৩৪ এএম

সংগৃহীত ছবি

গ্রামীণ শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং সৃজনশীলতা বিকাশের লক্ষ্য নিয়ে ‘বন্ধুস্কুল’ নামে একটি শিক্ষাবান্ধব সামাজিক উদ্যোগের যাত্রা শুরু করেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) সাত শিক্ষার্থী।

বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর গ্রামে উদ্যোগটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়।

উদ্যোগটির প্রতিষ্ঠাতারা হলেন সুদীপ্ত সাহা সময়, নিলয় সরকার, উম্মে হাবিবা মৌ, অঙ্কিতা দাস ঐশী, মো. কাউসার, সানজানা তালুকদার বুশরা এবং যয়নব আজাদী লুবনা। শিক্ষাকে সহজলভ্য, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং সবার জন্য উন্মুক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে তারা এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।

প্রতিষ্ঠাতারা জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে ‘বন্ধুস্কুল’ প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের নিয়ে কাজ করবে। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকার শিক্ষার্থীদের শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি, সৃজনশীল চিন্তাশক্তির বিকাশ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনা করা হবে।

উদ্যোগটিকে স্বাগত জানিয়ে স্থানীয় শিক্ষক দীপক কুমার পাল বলেন, “এটি আমাদের গ্রামের শিক্ষার্থীদের জন্য বড় একটি প্রাপ্তি। এমন একটি মহৎ উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।”

উদ্যোগটির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা নিলয় সরকার বলেন, “গ্রামের শিক্ষার্থীরা নানা সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক সময় পিছিয়ে পড়ে। শহরের শিক্ষার্থীদের তুলনায় তাদের সুযোগ-সুবিধাও কম। আমরা চাই গ্রাম ও শহরের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিদ্যমান বৈষম্য কমে আসুক। শিক্ষাকে সবার জন্য সমান ও উন্মুক্ত করে তোলা এবং লুকিয়ে থাকা প্রতিভাগুলোকে বিকাশের সুযোগ করে দিতেই আমাদের এই উদ্যোগ।”

আরেক প্রতিষ্ঠাতা উম্মে হাবিবা মৌ বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শিশুদের জন্য আনন্দময় ও কার্যকর শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা। আমরা বিশ্বাস করি, সুযোগ পেলে প্রতিটি শিশুই এগিয়ে যেতে পারে। ছোট্ট এই প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা তাদের স্বপ্ন দেখার সাহস ও শেখার সুযোগ করে দিতে চাই।”

উদ্যোক্তারা আশা প্রকাশ করেন, ‘বন্ধুস্কুল’ ভবিষ্যতে গ্রামীণ শিক্ষার্থীদের জন্য একটি কার্যকর শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে উঠবে। পাশাপাশি শিক্ষাক্ষেত্রে বিদ্যমান বৈষম্য হ্রাস এবং শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলেও তারা প্রত্যাশা করেন।

Link copied!