রবিবার ১৯, এপ্রিল ২০২৬

রবিবার ১৯, এপ্রিল ২০২৬ -- : -- --

ক্লাস-পরীক্ষা চলাকালেই যবিপ্রবিতে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা

ইয়ামিন আহমেদ,যবিপ্রবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৫৬ পিএম

মাঠে নেই শিক্ষার্থীর উপস্থিতি

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি)-তে ক্লাস ও পরীক্ষা চলমান রেখেই শুরু হয়েছে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ২০২৫-২০২৬। তবে সময়সূচির অসামঞ্জস্যতার কারণে মাঠে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি অত্যন্ত কম দেখা গেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শরীরচর্চা শিক্ষা দপ্তরের উদ্যোগে শনিবার (১৮ এপ্রিল) কেন্দ্রীয় মাঠে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর। কিন্তু সরেজমিনে দেখা যায়, অধিকাংশ ইভেন্টে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা খুবই কম। অনেক ক্ষেত্রে প্রতিযোগী না পেয়ে বারবার মাইকে ডাকা হচ্ছে অংশগ্রহণকারীদের।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ক্লাস ও পরীক্ষা চালু থাকা অবস্থায় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজন করায় তারা অংশগ্রহণ করতে পারছেন না। এতে একদিকে যেমন খেলাধুলার সুযোগ সীমিত হচ্ছে, অন্যদিকে পড়াশোনার উপরও প্রভাব পড়ছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়াবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ফয়সাল হাবিব বলেন, ক্লাস ও পরীক্ষা চলমান রেখে এমন আয়োজন করা অব্যবস্থাপনার পরিচয়। এতে শিক্ষার্থীরা না খেলায় অংশ নিতে পারছে, না পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে পারছে। অনেকেই প্রতিযোগিতার সময়সূচি সম্পর্কেও অবগত নয়, ফলে আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও অংশগ্রহণ কম। উপরন্তু, বারবার মাইকিং একাডেমিক পরিবেশেও বিঘ্ন ঘটাচ্ছে।

ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী মো. স্বাধীন হোসেন বলেন, পরিকল্পনার ঘাটতির কারণে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় ছয় হাজার শিক্ষার্থীর ক্লাস, ল্যাব ও পরীক্ষা চলমান থাকায় তারা ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারছে না। নির্দিষ্ট রুটিন ও সমন্বয়ের অভাবে পুরো আয়োজনটি অগোছালো হয়ে পড়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শরীরচর্চা শিক্ষা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. শাহেদুর রহমান বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তার প্রথম ক্রীড়া আয়োজন। সাধারণত শীতকালে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হলেও নির্বাচন, রমজান ও বিভিন্ন বিভাগের সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষার কারণে নির্ধারিত সময়ে আয়োজন সম্ভব হয়নি। তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট কমিটি ও উপকমিটির পরামর্শেই বর্তমান সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের কম উপস্থিতির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আগামী বছর ডিনস কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে ক্লাস-পরীক্ষা সীমিত রেখে আরও সমন্বিতভাবে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের চেষ্টা করা হবে।

Link copied!