প্রকাশিত: ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১৭ পিএম
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩। দিনব্যাপী নানা কর্মসূচিতে ক্যাম্পাসজুড়ে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির উদ্যোগে নববর্ষকে বরণ করে নেয় বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার। সকালে ৯টা ৩০ মিনিটে প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আলিমুল ইসলামের নেতৃত্বে বৈশাখী শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি ক্যাম্পাসের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
সকাল ১০টায় বৈশাখী মেলার উদ্বোধন করা হয় এবং ১০টা ২০ মিনিটে বিনোদন সংঘের পরিবেশনায় শুরু হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তিতে মুখর এ আয়োজন ক্যাম্পাসজুড়ে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দেয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ট্রেজারার প্রফেসর ড. এ.টি.এম. মাহবুব-ই-ইলাহী, ডিন কাউন্সিলের আহ্বায়ক প্রফেসর ড. নির্মল চন্দ্র রায়, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ড. জসিম উদ্দিন আহাম্মদ, রেজিস্ট্রার (অ.দা.) প্রফেসর ড. মো. আসাদ-উদ-দৌলা, প্রক্টর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সামিউল আহসান তালুকদার, জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরের পরিচালক কৃষিবিদ খসরু মোহাম্মদ সালাহউদ্দিনসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
শোভাযাত্রা ও মেলা উদ্বোধনের পর উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আলিমুল ইসলাম বলেন, বাংলা নববর্ষ বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ধারক ও বাহক। এটি কেবল নতুন বছরকে বরণ নয়, বরং অসাম্প্রদায়িক চেতনা, ঐক্য, সম্প্রীতি ও মানবিক মূল্যবোধের প্রতিফলন। তিনি আরও বলেন, নতুন বছর আমাদের জীবনে নতুন আশা, স্বপ্ন ও সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করে।
তিনি বলেন, অতীতের সকল গ্লানি ও হতাশা পেছনে ফেলে সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকারই হোক নতুন বছরের প্রত্যাশা।
নববর্ষ উপলক্ষে রাত থেকেই শিক্ষার্থীরা আল্পনা অঙ্কন, মেলা প্রস্তুতি, প্যান্ডেল নির্মাণ এবং পিঠা-পুলি, পায়েস ও নাড়ু তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করেন। ফলে পুরো ক্যাম্পাস উৎসবের আবহে রূপ নেয়।
