প্রকাশিত: ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১২:৫৯ পিএম
তরুণ ক্রিয়েটর, ট্রেন্ডসেটার ও চেঞ্জমেকারদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫ জন শিক্ষার্থীকে ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে প্রযুক্তি ব্র্যান্ড অপো।
অপো ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর প্রোগ্রামের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, যোগাযোগ, নেতৃত্ব ও কমিউনিটি-বিল্ডিং দক্ষতা বিকাশের সুযোগ দেওয়া হবে। অ্যাম্বাসেডররা নিজ নিজ ক্যাম্পাসে অপোর প্রতিনিধি হিসেবে সহপাঠী ও তরুণদের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পাশাপাশি আকর্ষণীয় কনটেন্ট তৈরি এবং অপোর প্রযুক্তি ও লাইফস্টাইল অভিজ্ঞতা তুলে ধরবেন।
এ বিষয়ে অপো বাংলাদেশের অথরাইজড এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটরের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ড্যামন ইয়াং বলেন, তরুণদের মধ্যে ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের সৃজনশীলতা, আত্মবিশ্বাস ও সম্ভাবনা রয়েছে। ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর প্রোগ্রামের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি একটি শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি ব্র্যান্ডকে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাবেন।
নতুন নির্বাচিত অ্যাম্বাসেডররা দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্ব করছেন। তারা হলেন—আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশের মো. রফিজুরজ্জামান রফি, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের মো. মারুফ আহমেদ সিনহা, ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির আবদুল্লাহ শরীফ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ মহিমা আমিন মৌ ও মো. আশরাফুল ইসলাম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামিয়া জান্নাত, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যাশা রানী দাস, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির নুঝাত নাওয়ার ও চৌধুরী আসিফ আবদুল্লাহ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মুবাসশির তাহমিদ ভূঁইয়া, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের হামিম আহমেদ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মো. ইউসুফ আলী, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের উম্মায়া হাবিবা সুজানা, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সাব্বির আহমেদ কাব্য এবং চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবু সাঈদ।
ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে অ্যাম্বাসেডরদের অপোর ব্র্যান্ড দর্শন ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে অপো ও পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটের যৌথ উদ্যোগে একটি মোবাইল ফটোগ্রাফি সেশন অনুষ্ঠিত হয়। সেশনটি পরিচালনা করেন পাঠশালার ফটোগ্রাফি বিভাগের প্রধান খন্দকার তানভীর মুরাদ।
অপো জানিয়েছে, ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর প্রোগ্রামের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আরও শক্তিশালী সম্পর্ক গড়ে তোলার পাশাপাশি তরুণদের প্রযুক্তি, সৃজনশীলতা ও সংস্কৃতির সমন্বয়ে নতুন কিছু তৈরিতে উৎসাহিত করা হবে।
