বুধবার ২৯, জুলাই ২০২৬

বুধবার ২৯, জুলাই ২০২৬ -- : -- --

রাবিতে পাল্টাপাল্টি হামলা-সংঘর্ষ

রাবি থেকে মো.রেজওয়ান

প্রকাশিত: ২৮ জুলাই ২০২৬, ১০:৫৯ পিএম

ফাইল ফটো

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সাবেক ছাত্রলীগ কর্মীকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় সংঘর্ষ, হামলা ও বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মারসহ চারজন আহত হয়েছেন। অপরদিকে অভিযুক্ত আনাসকে রিডিং রুম ও অ্যাম্বুলেন্স থেকে নামিয়ে মারধরের অভিযোগও উঠেছে।

ঘটনার সূত্রপাত রবিবার রাতে। অস্ত্রের মুখে এক শিক্ষার্থীকে প্রেমে রাজি করানোর চেষ্টার অভিযোগে এক ছাত্রী প্রক্টর দপ্তরে অভিযোগ দিতে গেলে অভিযুক্ত মহসিন আলমের অভিভাবক পরিচয়ে সেখানে যান ইতিহাস বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আনাস। এ সময় প্রক্টর ও সহকারী প্রক্টরের সঙ্গে তার অসদাচরণের অভিযোগ ওঠে।

পরদিন অভিযোগকারী শিক্ষার্থী ও অভিযুক্তদের নিয়ে প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমানের উপস্থিতিতে বৈঠক হয়। সেখানে আনাস উপস্থিত হলে রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার, এজিএস সালমান সাব্বির ও কয়েকজন শিক্ষার্থী তাকে চড়-থাপ্পড় দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

রাকসুর দাবি, পরে আনাস ও তার সহযোগীরা রাকসু কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে মিডিয়া ও প্রকাশনা সম্পাদক নাজমুস শাকিবকে আহত করেন। হামলার পর আনাস ও তার সঙ্গীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির রিডিং রুমে আশ্রয় নেন বলে অভিযোগ করা হয়।

এরপর রাকসু ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা সেখানে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় আনাস ও তার সঙ্গীদের মারধর করা হয়। পরে আহতদের অ্যাম্বুলেন্সে তোলার সময়ও তাদের মারধরের অভিযোগ ওঠে। পরে তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ঘটনার জেরে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির বিক্ষোভ মিছিল করে এবং রাকসু কার্যালয়ে হামলাকারীদের এক ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে প্রশাসনকে আল্টিমেটাম দেয়।

রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার দাবি করেন, রাকসু কার্যালয়ে বৈঠক চলাকালে আনাস ও তার সহযোগীরা অতর্কিত হামলা চালিয়ে একজন নেতাকে আহত করেন। হামলার পর রিডিং রুমে গিয়ে তাদের বের করে আনতে গেলে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

তবে আনাস ও তার সঙ্গীদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সর্বশেষ পরিস্থিতি জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সভায় আছেন জানিয়ে ফোন কেটে দেন।

Link copied!