শনিবার ০২, মে ২০২৬

শনিবার ০২, মে ২০২৬ -- : -- --

শ্রমিকের যান্ত্রিক শক্তির কল্যাণে এগিয়ে যাচ্ছে রাষ্ট্র 

..

প্রকাশিত: ০১ মে ২০২৬, ১০:১১ পিএম

ফাইল ফটো

তৌফিকুর ইসলাম শিশির

আজ বিশ্ব শ্রমিক দিবস। আজ এইদিনটির সাথে মিশে আছে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপের ছাপ। যেমন :সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে আমরা এককাপ চা খাওয়া থেকে শুরু করে  তার সাথে যান্ত্রিক পরিবহনে যাতায়াতের সকল স্থানে মিশে আছে শ্রমিকের পরিশ্রম। বর্তমান মৌসুমে ধান উঠানোর প্রতিযোগিতা চলছে গ্রামের কৃষকের মাঝে। সেই ধান থেকে ভাতে রূপান্তর করে আমরা প্রতিদিন নিজের আহার নিরাবরণ করছি। 

শ্রমিক দিবসের ইতিহাস : সময়টা ১৮৮৬ সাল তখন যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরে Haymarket Affairs থেকে সংঘটিত হয়। তখন শ্রমিকরা দৈনিক ১২–১৬ ঘণ্টা কাজ করতে বাধ্য হতেন। এর প্রতিবাদে তারা ৮ ঘণ্টা কর্মদিবসের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন। ৪ মে একটি সমাবেশে বিস্ফোরণ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে, যেখানে বহু মানুষ নিহত হন। এই ঘটনা শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ মোড় তৈরি করে এবং পরবর্তীতে ১ মে শ্রমিক দিবস হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

যেটা আজও আমরা পালন করে আসছি অত্যন্ত গর্বের সাথে। গর্বের সাথে পালন করলেও এখানে একটা কিন্তু থেকে যায়। শ্রমিকদের অজান্তেই শ্রমিকদের ঠকিয়ে আসছে সমাজের বড়ো কর্মকর্তারা।তারা শ্রমিকদের মাইনে কম দিয়ে প্রতিনিয়ত শোষণ ও শোষিত শ্রণিতে রূপান্তর করছে। যার ফলে শ্রমিকদের হাতে ক্ষমতা না আসে এটাই তাদের একমাত্র চাওয়া। এবার একটু বাংলাদেশের অবস্থানের দিকে তাকাই। ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট ঘটে যাওয়া অভ্যুত্থানের দিকে তাকালে দেখতে পাই ফরাসি বিপ্লবের প্রতিচ্ছবি।

যেখানে শ্রমিকরা, রিকশাওয়ালারা পর্যন্ত রাস্তায় নেমে সরকার পতন ঘটিয়েছে। এর ফলে শ্রমিকরা বুঝেছিলো যে তাদের হয়তো ভাগ্যের পরিবর্তন হবে। কিন্তু দিনশেষে দেখা গেলো বুর্জোয়া শ্রেণির মানুষরা তাদের মিথ্যা আশা দিয়ে নিরাশায় ফেলেছে। যার ফলে ধনীরা দিন দিন ধনী হচ্ছে এবং গরীব রা দিন দিন গরীব হচ্ছে।মুসলিম ধর্মে মহানবী সা: বলেছেন- শ্রমিকদের ঘাম শুকানোর আগে তাদের পারিশ্রমিক দিয়ে দাও। তাই সেই তখন থেকে  সারা বিশ্বে ১মে বিশ্ব শ্রমিক দিবস পালিত হচ্ছে। আশা করা যায় একদিন এমন দিন আসবে যেখানে শ্রমিকরা থাকবে রাষ্ট্রের  সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী। পরিশেষে একটাই

 স্লোগান হোক:

"কৃষক শ্রমিক জনতা ,গড়ে তুলো একতা।" 


তৌফিকুর ইসলাম শিশির

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ।গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

Link copied!