প্রকাশিত: ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২৯ এএম
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট)-এর ৩১ জন শিক্ষক ‘ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড-২০২৪’ লাভ করেছেন। ২০২৪ সালে উচ্চমানের (হাই ইমপ্যাক্ট) আন্তর্জাতিক জার্নালে গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশের স্বীকৃতি হিসেবে সংশ্লিষ্ট অনুষদের এক্সপার্ট প্যানেল কর্তৃক যাচাই-বাছাই শেষে উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা কমিটির (সিএএসআর) সুপারিশক্রমে এ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষকদের হাতে এ অ্যাওয়ার্ড তুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মাছুদ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ হারুনুর রশীদ, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. আব্দুর রফিক, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সুলতান মাহমুদ এবং সায়েন্স অ্যান্ড হিউম্যানিটিস অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. আব্দুর রকিব মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন জামালী।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গবেষণা ও সম্প্রসারণ দপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ড. মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম এবং সঞ্চালনা করেন সহকারী পরিচালক মো. মেহেদী হাসান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন,“গবেষণাই একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৃত মান নির্ধারিত হয় তার গবেষণার গুণগত মান, উদ্ভাবনী সক্ষমতা এবং জ্ঞান সৃষ্টির ধারাবাহিকতার মাধ্যমে। উচ্চমানের আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের জন্যও গৌরবের বিষয়।”
তিনি আরও বলেন,“বর্তমান বিশ্বে টেকসই উন্নয়ন, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকতে গবেষণার বিকল্প নেই। গবেষণাকে আরও বাস্তবমুখী ও সময়োপযোগী করতে হবে এবং শিল্প-সমাজের প্রয়োজনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হবে।”
একইসঙ্গে শিক্ষকগণের গবেষণার পাশাপাশি প্যাটেন্ট তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং শিক্ষার্থীদের গবেষণায় সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানান।
বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টিতে প্রশাসনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, এ ধরনের স্বীকৃতি শিক্ষকদের আরও উৎসাহিত করবে এবং ভবিষ্যতে গবেষণায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষকদের মধ্যে বিভিন্ন বিভাগের প্রফেসর, সহযোগী অধ্যাপক, সহকারী অধ্যাপক ও প্রভাষকরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভাগীয় প্রধান, দপ্তর প্রধান, হল প্রভোস্ট এবং শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
