ইয়ামিন আহমেদ,যবিপ্রবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:১৬ পিএম
বুধবার ০১, এপ্রিল ২০২৬ -- : -- --
ফাইল ফটো
সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) সচেতনতামূলক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের রিজেন্ট বোর্ডের গঠিত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ী মনিটরিং কমিটি বিভিন্ন বিভাগ, দপ্তর ও আবাসিক হলে নিয়মিত তদারকির পাশাপাশি ব্যানার স্থাপন ও লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম চালু করেছে।
বুধবার (১ এপ্রিল ২০২৬) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল মজিদের কাছে লিফলেট হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। এ সময় উপাচার্যের হাতে লিফলেট তুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ ও মনিটরিং কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. হোসেন আল মামুন। অনুষ্ঠানে কমিটির অন্যান্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে একইদিনে কমিটির সদস্যরা প্রশাসনিক ভবনের বিভিন্ন দপ্তর পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্টদের মাঝে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করেন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পর্যায়ক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি বিভাগ ও আবাসিক হলেও এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
এ বিষয়ে কোষাধ্যক্ষ ও কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. হোসেন আল মামুন বলেন,“আজ থেকে আমাদের লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি চালু হয়েছে। ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে স্ট্যান্ড ব্যানার স্থাপন করা হয়েছে। আমরা আশা করছি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে এধরনের কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এছাড়াও আমাদের মনিটরিং কমিটি নিয়মিত বিভিন্ন বিভাগ, দপ্তর ও আবাসিক হলে তদারকি করবে।”
লিফলেটে বিদ্যুৎ অপচয় রোধে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—দিনের বেলায় প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার করে বৈদ্যুতিক বাতি বন্ধ রাখা, প্রয়োজন ছাড়া অতিরিক্ত লাইট ও বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার না করা, অফিস চলাকালীন অতিরিক্ত ফ্যান ও এসি বন্ধ রাখা এবং অফিস শেষে সব বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ রাখা।
এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কক্ষ, ল্যাব ও সম্মেলন কক্ষে এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারে সংযম প্রদর্শনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া এসি ব্যবহার নিরুৎসাহিত করা হয়েছে এবং ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার উপরে রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি করিডোর, সিঁড়ি ও ওয়াশরুমে অপ্রয়োজনীয় লাইট ব্যবহার বন্ধ রাখা, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহার এবং অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা পরিহারের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আশা করছে, এ উদ্যোগ শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াবে এবং সামগ্রিকভাবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।