প্রকাশিত: ১১ মার্চ ২০২৬, ০৩:০৫ পিএম
পড়াশোনায় অসাধারণ সাফল্যের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ, ইনস্টিটিউট ও বর্ষের ২০ জন শিক্ষার্থীকে জগন্নাথ হল ট্রাস্ট ফান্ড বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০২৩-২০২৪ সেশনের ১০ জনকে এবং ২০২৪-২০২৫ সেশনের ১০ জনকে এই বৃত্তি প্রদান করা হয়। প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে এককালীন ৫ হাজার টাকা করে বৃত্তি দেওয়া হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান আজ (১১ মার্চ ২০২৬) বুধবার উপাচার্যের সভাকক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তির চেক তুলে দেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ মি. দেবাশীষ পাল, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মদ এবং শহিদ বুদ্ধিজীবী ডাঃ মোহাম্মদ মোর্তজা মেডিকেল সেন্টারের প্রধান মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোহাম্মদ তানভীর আলী উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বৃত্তিপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, এই বৃত্তি শুধু টাকার অংক দিয়ে পরিমাপ করা যাবে না। এর অনেক তাৎপর্য রয়েছে। এটি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবনের বড় ধরনের প্রাপ্তি। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মেধা ও সাফল্যের স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে।
উপাচার্য বলেন, বর্তমান প্রশাসন শিক্ষার্থীদের সার্বিক কল্যাণে কাজ করছে। গত দেড় বছরে ট্রাস্ট ফান্ড গঠনের সংখ্যা ২০০% বৃদ্ধি পেয়েছে। সমাজের সঙ্গে সম্পর্ক ও যোগাযোগ জোরদারের কারণেই ট্রাস্ট ফান্ড গঠনের হার বেড়েছে। সমাজের প্রতি কৃতজ্ঞ ও দায়বদ্ধ থাকার জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।
২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলেন, সুজিত কুমার (গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা), শাওন মিস্ত্রী (ইংলিশ ফর স্পিকারস্ অফ আদার ল্যাংগুয়েজেস), দ্বীপ মল্লিক (টেলিভিশন, ফিল্ম এন্ড ফটোগ্রাফি), কাজল চন্দ্র রায় (তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা), পরশ চন্দ্র রায় (সমাজবিজ্ঞান), চন্দন কুমার বিশ্বাস (ম্যানেজমেন্ট), রাহুল সাহা (শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট), রানা দাস (পালি এন্ড বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ), ঝলক দাস (জাপানিজ স্টাডিজ) এবং জয় গোলদার (সংস্কৃত)।
২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলেন, বিল্পব মন্ডল (উদ্ভিদবিজ্ঞান), গৌরব চৌধুরী (সংস্কৃত), ইমন বাড়ৈ (উদ্ভিদবিজ্ঞান), দীপংকর বালা (সংস্কৃত), মুন সরকার (শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট), সুমন চন্দ্র রায় (ভাষাবিজ্ঞান), আবির সরকার (ফিন্যান্স), ঘনশ্যাম মন্ডল (ভাষাবিজ্ঞান), সরল সরকার (বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি) এবং হরিদাস বাইন (আবহাওয়া বিজ্ঞান)।
