প্রকাশিত: ১১ মার্চ ২০২৬, ১২:১২ এএম
ঈদের দিন পরিবারের সঙ্গে বিশেষ কিছু রান্না করার পরিকল্পনা থাকলে ভিন্ন স্বাদের একটি পদ হতে পারে চিংড়ি মালাই বিরিয়ানি। সুগন্ধি পোলাও চাল, মসলা আর নারকেলের দুধে তৈরি এই বিরিয়ানি সহজেই উৎসবের খাবারের তালিকায় আলাদা জায়গা করে নিতে পারে। ঘরেই সহজ উপায়ে তৈরি করা যায় এই সুস্বাদু খাবার।
এই বিশেষ বিরিয়ানির মূল উপকরণ হলো মাঝারি আকারের চিংড়ি, যা রান্নার আগে সামান্য লবণ মেখে হালকা ভেজে নেওয়া হয়। এতে চিংড়ির স্বাদ আরও গভীর হয় এবং রান্নার সময় এর গঠনও ভালো থাকে। এরপর একই তেলে পেঁয়াজকুচি ভেজে সুবাস বের করা হয়, যা বিরিয়ানির স্বাদকে আরও সমৃদ্ধ করে।
পেঁয়াজ ভাজা হয়ে গেলে এতে আদাবাটা, রসুনবাটা, হলুদগুঁড়া, মরিচগুঁড়া, সামান্য চিনি, লবণ এবং গরম মসলা দিয়ে কষানো হয়। অল্প পানি দিয়ে মসলাগুলো ভালোভাবে রান্না করা হলে এর ঘ্রাণ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর এই মসলার মধ্যে পোলাও চাল ও আগে ভেজে রাখা চিংড়ি দিয়ে হালকা করে নাড়িয়ে নেওয়া হয়, যাতে চালের সঙ্গে মসলার স্বাদ ভালোভাবে মিশে যায়।
পরবর্তী ধাপে এতে নির্দিষ্ট পরিমাণ পানি, বাদামবাটা ও কিশমিশ যোগ করে মাঝারি আঁচে ঢেকে রান্না করা হয়। প্রায় দশ মিনিট রান্নার পর এতে নারকেলের দুধ দেওয়া হয়, যা এই বিরিয়ানির বিশেষত্ব। নারকেলের দুধের কারণে বিরিয়ানিতে মোলায়েম স্বাদ ও আলাদা ঘ্রাণ তৈরি হয়। এরপর কম আঁচে ধীরে ধীরে রান্না চলতে থাকে।
চাল সেদ্ধ হয়ে পানি শুকিয়ে এলে ওপরে ছড়িয়ে দেওয়া হয় পেঁয়াজ বেরেস্তা ও সামান্য ঘি। এতে খাবারের স্বাদ ও সুগন্ধ আরও বাড়ে। তারপর চুলা বন্ধ করে কিছুক্ষণ দমে রাখলে বিরিয়ানিটি পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত হয়ে যায়।
ঈদের দিন দুপুর বা রাতের দাওয়াতে এই চিংড়ি মালাই বিরিয়ানি পরিবেশন করলে অতিথিরা নিশ্চয়ই ভিন্ন স্বাদের এই পদ উপভোগ করবেন। সহজ উপকরণে তৈরি হলেও এর স্বাদ ও ঘ্রাণ যে কোনো উৎসবের খাবারকে করে তুলতে পারে আরও আকর্ষণীয়।
