প্রকাশিত: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫১ এএম
অফিস আদেশ অনুযায়ী, ১১তম গ্রেডের এ পদে নিয়োগের বাছাই পরীক্ষা গত শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়। পদটির আগের নাম ছিল ‘ক্রেডিট সুপারভাইজার’।
উত্তীর্ণ প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষার তারিখ, সময় ও কেন্দ্র এখনো ঘোষণা করা হয়নি। পরবর্তী সময়ে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এ-সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করা হবে। পাশাপাশি টেলিটকের মাধ্যমে প্রার্থীদের মুঠোফোনে খুদে বার্তা পাঠিয়ে জানানো হবে।
অফিস আদেশে বলা হয়েছে, নিয়োগপ্রক্রিয়ার যেকোনো পর্যায়ে কোনো প্রার্থী অনিয়ম বা অসাধু উপায় অবলম্বন করলে তাঁর প্রার্থিতা বা ফল বাতিল করা হবে।
এর আগে, এ নিয়োগের বাছাই পরীক্ষা ১০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। ২৪২টি পদের বিপরীতে আবেদন করেছিলেন প্রায় ৩ লাখ ১৯ হাজার প্রার্থী। তবে পরীক্ষা শুরুর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে পড়ে। ছড়িয়ে পড়া প্রশ্নের সঙ্গে মূল প্রশ্নপত্রের মিল পাওয়ায় শেষ মুহূর্তে পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।
পরীক্ষা স্থগিতের ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রার্থীরা রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করেন। পরে নতুন প্রশ্নপত্রে ১৬ অক্টোবর পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা তদন্তে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মাহফুজুল আলম খানকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে প্রথমে তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হলেও পরে সময় বাড়ানো হয়।
এদিকে, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) সদস্যরা সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছেন। পরে শনিবার আদালতের মাধ্যমে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়।
