প্রকাশিত: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৫ পিএম
বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা সমস্যা, শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা, সাফল্য ও সম্ভাবনার গল্প সবার মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার অন্যতম মাধ্যম ক্যাম্পাস সাংবাদিকতা। প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত থেকে শুরু করে আবাসন সংকট, শিক্ষার পরিবেশ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন সবকিছুই সংবাদ মাধ্যমে তুলে ধরার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন ক্যাম্পাস সাংবাদিকরা। রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবিপ্রবি) এই চর্চাকে স্থায়ী রূপ দিতে ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (রাবিপ্রবিসাস)।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সময় পরও রাবিপ্রবিতে কোনো সাংবাদিক সংগঠন ছিল না। ফলে ক্যাম্পাসের মধ্যে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দাবি ও সমস্যা তুলে ধরা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও অগ্রগতির বিষয়গুলো উপস্থাপনের জন্য একটি প্ল্যাটফর্মের প্রয়োজনীয়তা ছিল।
সে প্রয়োজনীয়তা থেকে তৎকালীন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সাংবাদিকরা পেশাদারিত্বের সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা, প্রশাসন, শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা ও ক্যাম্পাসের নানা ঘটনা গণমাধ্যমে তুলে ধরতে ২০২৩ সালের ১২ অক্টোবর যাত্রা শুরু করে রাবিপ্রবিসাস।
সংগঠনটির যাত্রার প্রাথমিক ধাপে মো. আহ্সান হাবীবকে আহ্বায়ক এবং আবদুল আল মামুনকে যুগ্ম আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য সদস্য ছিলেন ত্রয়ী দেব, মো. আয়নুল ইসলাম ও সঞ্চিতা চক্রবর্তী। পরবর্তী সময়ে সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠনের মধ্য দিয়ে সংগঠনটি আনুষ্ঠানিক সাংগঠনিক কাঠামো পায়। কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পান মো. আহ্সান হাবীব এবং সাধারণ সম্পাদক হন আবদুল আল মামুন। সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে মো. আয়নুল ইসলাম, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক হিসেবে সঞ্চিতা চক্রবর্তী এবং অর্থ সম্পাদক হিসেবে আদিত্য চৌধুরী দায়িত্ব পান। কমিটির সদস্য ছিলেন আকলিমা আক্তার ও ফাইরুজ মেহেদী দ্বীপান্বিতা।
রাবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির প্রতিষ্ঠাকালীন নেতৃত্বের পরিকল্পনায় সংগঠনটির অন্যতম লক্ষ্য হিসেবে উঠে এসেছিল বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষার্থীদের উন্নয়নে কাজ করা, শিক্ষার্থীদের লুকায়িত প্রতিভাগুলো তুলে ধরা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যা, সম্ভাবনা, উন্নয়ন ও অগ্রগতির বিষয়গুলো সংবাদমাধ্যমে উপস্থাপন করা।
প্রতিষ্ঠার পর থেকে রাবিপ্রবিসাস ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষার পাশাপাশি তাদের যোগ্য, দক্ষ হিসেবে গড়ে তোলা, যোগাযোগ দক্ষতা, অনুসন্ধানী চিন্তাভাবনা, বিশ্লেষণী ক্ষমতা ও দায়িত্বশীলতা বিকাশেও ভূমিকা রাখছে। পাশাপাশি জনসংযোগ, করপোরেট জগতে যোগাযোগ, কনটেন্ট রাইটিং ও প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণের মতো কাজে দক্ষ করতে প্রতিনিয়ন সেশন আয়োজন করে সংগঠনটি।
লেখক : শিক্ষার্থী, ফিশারিজ এন্ড মেরিন রিসোর্সেস টেকনোলজি বিভাগ
