মঙ্গলবার ১৩, অক্টোবর ২০২৬

মঙ্গলবার ১৩, অক্টোবর ২০২৬ -- : -- --

আইইউবিএটিতে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উদ্‌যাপন

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৭ পিএম

ছবি। ক্যাম্পাস রিপোর্ট

বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচি ও মানসিক স্বাস্থ্য মেলার মধ্য দিয়ে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬ উদ্‌যাপন করেছে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি (আইইউবিএটি)। বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগ ও প্রফেসর মাহমুদা খানম হেলথকেয়ার সেন্টারের যৌথ উদ্যোগে শনিবার (১০ অক্টোবর) ক্যাম্পাসে দিনব্যাপী এ আয়োজন করা হয়। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ছিল ‘যাপিত অভিজ্ঞতার কথা শুনি: প্রকৃত কণ্ঠস্বর, প্রকৃত পরিবর্তন’।

সকাল ১১টায় মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো প্রদক্ষিণ করে। এতে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি, সামাজিক কুসংস্কার দূরীকরণ এবং সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার বার্তা তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আইইউবিএটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবদুর রব, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মুহাম্মদ মাহমুদুর রহমান এবং কোষাধ্যক্ষ ও প্রশাসন পরিচালক অধ্যাপক সেলিনা নার্গিস। তাঁদের উপস্থিতিতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টাডি এরিনায় দিনব্যাপী ‘মানসিক স্বাস্থ্য মেলা’ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন মানসিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের ছয়টি স্টল স্থাপন করা হয়। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোগগুলোর মধ্যে ছিল প্রফেসর মাহমুদা খানম হেলথকেয়ার সেন্টারের মাইন্ড চেক স্টেশন, আইসেলফ, সাইকোলজিক্যাল হেলথ অ্যান্ড ওয়েলনেস কেয়ার, হিলিং হার্ট এবং দ্য কমপ্যাশন কোলাবোরেশন।

মেলার স্টলগুলো থেকে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মানসিক স্বাস্থ্য, পরামর্শসেবা, সচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং প্রয়োজনের সময় সহায়তা পাওয়ার উপায় সম্পর্কে তথ্য নেন। দিনব্যাপী আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন। আয়োজকেরা বলেন, মানসিক স্বাস্থ্য সামগ্রিক সুস্থতার একটি অপরিহার্য অংশ। মানুষের চিন্তা, অনুভূতি, শেখার ক্ষমতা, সিদ্ধান্ত গ্রহণ, সম্পর্ক তৈরি এবং দৈনন্দিন জীবনের প্রতিকূলতা মোকাবিলার সঙ্গে মানসিক স্বাস্থ্যের গভীর সম্পর্ক রয়েছে।

তাঁরা আরও বলেন, এ বছরের প্রতিপাদ্য মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাকে স্বীকৃতি দেওয়া ও গুরুত্বের সঙ্গে শোনার ওপর জোর দিয়েছে। মানুষের বাস্তব অভিজ্ঞতা মনোযোগ দিয়ে শুনলে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নেতিবাচক ধারণা ও সামাজিক কুসংস্কার কমাতে সহায়তা করে। এর মাধ্যমে আরও সহমর্মী ও সহযোগিতাপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

Link copied!