বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি থেকে মাহবুবুর রহমান
প্রকাশিত: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৬ পিএম
বুধবার ২৩, সেপ্টেম্বর ২০২৬ -- : -- --
ছবি| ক্যাম্পাস রিপোর্ট
বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির (বিএমইউ) একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম ঢাকার অস্থায়ী ক্যাম্পাস থেকে চট্টগ্রামের স্থায়ী ক্যাম্পাসে স্থানান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের মে মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে চট্টগ্রামে অবস্থিত স্থায়ী ক্যাম্পাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরবর্তী একাডেমিক সেশন—এপ্রিল ২০২৭ সেমিস্টারের নিয়মিত কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
ক্যাম্পাস স্থানান্তর প্রক্রিয়াকে সুশৃঙ্খল, সমন্বিত ও সময়োপযোগীভাবে সম্পন্ন করতে গত ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ‘ক্যাম্পাস স্থানান্তর সমন্বয় ও ব্যবস্থাপনা কমিটি’র পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট অনুষদ ও দপ্তরগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা এবং কর্মপরিকল্পনা সংক্রান্ত চিঠি জারি করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, স্থানান্তর কার্যক্রম বাস্তবায়নে সার্বিক মালামাল, স্থায়ী সম্পদ ও জনবল স্থানান্তরের জন্য দুই ধাপের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় ল্যাবরেটরির মতো তুলনামূলকভাবে সময়সাপেক্ষ দপ্তর ও স্থাপনাগুলোর স্থায়ী সম্পদ আগামী ১ এপ্রিল থেকে ৩০ এপ্রিল ২০২৭-এর মধ্যে স্থানান্তর সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এ ছাড়া অন্যান্য অনুষদ ও দপ্তরের শ্রেণিকক্ষ, অফিসে ব্যবহৃত সরঞ্জাম, প্রয়োজনীয় মালামাল ও স্থায়ী সম্পদ ১৫ এপ্রিল থেকে ৩০ এপ্রিল ২০২৭-এর মধ্যে চট্টগ্রামের স্থায়ী ক্যাম্পাসে স্থানান্তর করা হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্থানান্তর কার্যক্রম শেষ করে মে মাসের প্রথম সপ্তাহে নতুন ক্যাম্পাসে নিয়মিত একাডেমিক কার্যক্রম চালুর লক্ষ্যে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্থায়ী ক্যাম্পাসে একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ক্লাস চট্টগ্রামেই অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি এপ্রিল ২০২৭ সেমিস্টারে নতুনভাবে ভর্তি হওয়া মাস্টার্স প্রথম সেমিস্টারের শিক্ষার্থীদের ক্লাসও স্থায়ী ক্যাম্পাসে পরিচালিত হবে।
তবে স্থানান্তরকালীন সময়ে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কার্যক্রমে যেন বিঘ্ন না ঘটে, সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এপ্রিল ২০২৭ সেমিস্টারে পূর্ব থেকে অধ্যয়নরত চলমান মাস্টার্স প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীদের ক্লাস ঢাকার মিরপুর-১২-এর অস্থায়ী ক্যাম্পাসে বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস স্থানান্তর কার্যক্রম বর্তমানে ‘প্রি-ট্রানজিশন ফেজ’-এ রয়েছে। এ পর্যায়ে স্থানান্তর-সংক্রান্ত প্রস্তুতি, প্রয়োজনীয়তা নিরূপণ, সম্পদ তালিকাভুক্তকরণ এবং সংশ্লিষ্ট অনুষদগুলোর পরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ চলছে। এর অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদসমূহকে আগামী ৪ অক্টোবর ২০২৬-এর মধ্যে নিজ নিজ প্রস্তুতি ও প্রস্তাবনা জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনা অনুযায়ী, পর্যায়ক্রমে প্রশাসনিক, একাডেমিক ও অবকাঠামোগত প্রস্তুতি সম্পন্ন করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চট্টগ্রামের স্থায়ী ক্যাম্পাসে একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম চালু করা হবে।