মঙ্গলবার ২৫, আগস্ট ২০২৬

মঙ্গলবার ২৫, আগস্ট ২০২৬ -- : -- --

‘নজরুল পদক-২০২৬’ পেলেন আবদুল হাই শিকদার ও শবনম মুশতারী

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৪ আগস্ট ২০২৬, ১০:৩৬ পিএম

ছবি। ক্যাম্পাস রিপোর্ট

নজরুলচর্চা, গবেষণা ও সংগীতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাককানইবি) সম্মাননা ‘নজরুল পদক-২০২৬’ পেয়েছেন বিশিষ্ট কবি, সাহিত্যিক, নজরুল গবেষক ও সাংবাদিক আবদুল হাই শিকদার এবং নজরুলসংগীতশিল্পী শবনম মুশতারী।

সোমবার (২৪ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত ১২৭তম নজরুলজয়ন্তীর বিশেষ অনুষ্ঠানে তাদের হাতে এ পদক তুলে দেওয়া হয়। গবেষণায় বিশেষ অবদানের জন্য আবদুল হাই শিকদার এবং নজরুলসংগীতে অবদানের জন্য শবনম মুশতারীকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

আবদুল হাই শিকদার ১৯৫৭ সালের ১ জানুয়ারি কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার তিলাই ইউনিয়নের দক্ষিণ ছাট গোপালপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। কবি ও ছড়াকার হিসেবে পরিচিত আবদুল হাই শিকদার একজন বিশিষ্ট নজরুল গবেষক। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে তিনি ডজনখানেক গ্রন্থ রচনা করেছেন। ২০০১ সালে তিনি নজরুল ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বাংলা একাডেমি পদক ও বিভিন্ন সম্মাননায় ভূষিত এ লেখকের প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা শতাধিক।

অন্যদিকে শবনম মুশতারী নওগাঁর বদলগাছী উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। কয়েক দশক ধরে তিনি বাংলাদেশে নজরুলচর্চা ও নজরুলসংগীতের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছেন। সংগীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ১৯৯৭ সালে একুশে পদকে ভূষিত হন।

শবনম মুশতারীর বাবা কবি তালিম হোসেন নজরুল একাডেমির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। তার মা মাফরুহা চৌধুরী ছিলেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক। তার ছোট দুই বোন ইয়াসমিন মুশতারী ও পারভীন মুশতারীও নজরুলসংগীতশিল্পী।

এর আগে গত ১৯ আগস্ট জাককানইবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে ‘নজরুল পদক-২০২৬’ প্রদান কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে গবেষণায় আবদুল হাই শিকদার এবং সংগীতে শবনম মুশতারীকে এ পদক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

নজরুলচর্চা, গবেষণা ও সংগীতে বিশেষ অবদান রাখা বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মাননা জানাতে প্রতিবছর ‘নজরুল পদক’ প্রদান করে জাককানইবি। সাধারণত ‘নজরুলসংগীত’ ও ‘নজরুল গবেষণা’—এই দুটি বিভাগে এ পদক দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, এ বছর ২০ মে থেকে ১১ জুন পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ঈদুল আজহার ছুটি থাকায় ২৫ মে নজরুলজয়ন্তীর আনুষ্ঠানিক আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। তবে ওই দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে নিয়ে নজরুল ভাস্কর্যে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

Link copied!