খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্পিতা
প্রকাশিত: ০৯ আগস্ট ২০২৬, ১২:৫৩ পিএম
সোমবার ১০, আগস্ট ২০২৬ -- : -- --
ছবি। ক্যাম্পাস রিপোর্ট
ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, পরিচ্ছন্ন ক্যাম্পাস গড়ে তোলা এবং পরিবেশ সংরক্ষণের লক্ষ্যে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় বিএনসিসি প্লাটুনের তত্ত্বাবধানে ‘ডেঙ্গু সচেতনতা র্যালি ও ক্যাম্পাস পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃক্ষরোপণও করা হয়েছে।
আজ (৮ আগস্ট) শনিবার,সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনসিসি প্লাটুন প্রাঙ্গণ থেকে র্যালিটি শুরু হয়। র্যালিটি হাদি চত্বর ও প্রশাসনিক ভবন প্রদক্ষিণ করে পুনরায় বিএনসিসি প্লাটুন প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়।
র্যালি শেষে বিএনসিসি প্লাটুনের সামনে ঔষধি বৃক্ষ রোপণ করা হয়। পরে বিএনসিসির ক্যাডেটরা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নেন। এ সময় মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও জমে থাকা পানি অপসারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
কর্মসূচিতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় বিএনসিসির সেনা, নৌ ও বিমান শাখার ক্যাডেটবৃন্দ, সামরিক প্রশিক্ষক এবং পিইউওগণ উপস্থিত ছিলেন।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় বিএনসিসি নৌ শাখার পিইউও এস এম তাফসিরুল ইসলাম বলেন, “ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব। মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও জমে থাকা পানি অপসারণের মাধ্যমে ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমানো সম্ভব। এ ধরনের কার্যক্রম ক্যাডেটদের দায়িত্ববোধ ও জনসেবার মানসিকতা আরও সুদৃঢ় করে।”
বিএনসিসি সেনা শাখার পিইউও ফারজানা জামান বলেন, “ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিবেশ রক্ষায় ক্যাডেটদের এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে আমাদের সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”
বিএনসিসি নৌ শাখার প্রশিক্ষক মাসুদ হাসান বলেন, “ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতার পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা জরুরি। ক্যাডেটদের এমন উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশা করি।”
ক্যাডেট আন্ডার অফিসার ফারুক খান বলেন, “ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। একজন বিএনসিসি ক্যাডেট হিসেবে সমাজ ও পরিবেশের প্রতি আমাদের দায়িত্ব রয়েছে। আজকের কর্মসূচির মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ সংরক্ষণে সচেতনতা তৈরির চেষ্টা করেছি। ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমে বিএনসিসি ক্যাডেটরা সক্রিয় ভূমিকা রাখবে।”
কর্মসূচির মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি, পরিচ্ছন্ন ক্যাম্পাস গড়ে তোলা এবং পরিবেশ সংরক্ষণে শিক্ষার্থীদের মধ্যে দায়িত্ববোধ তৈরির পাশাপাশি বিএনসিসির সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবামূলক ভূমিকারও বহিঃপ্রকাশ ঘটে।