প্রকাশিত: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৬:০৬ পিএম
দেশীয় ১৬ প্রজাতির মৌসুমি ফল নিয়ে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) অনুষ্ঠিত হয়েছে বর্ণাঢ্য মৌসুমি ফল উৎসব। বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত এ উৎসবে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষার্থী, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন।
শনিবার (১১ জুলাই) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কনভেনশন হলে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম। এছাড়াও বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের সভাপতি এমরান হোসেন তানিমের সভাপতিত্বে এবং প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মিকাইল হোসাইনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম বলেন, "তুমি বলো তুমি কী খাও, তাহলে আমি বলে দেব তুমি কেমন মানুষ।"
তিনি বলেন, "একজন মানুষের সুস্বাস্থ্য অনেকাংশেই তার খাদ্যাভ্যাসের ওপর নির্ভর করে। তাই প্রতিদিন তিন বেলা খাবারের মাধ্যমে আমরা কত কিলোক্যালরি, কতটুকু প্রোটিন এবং কতটুকু পুষ্টি গ্রহণ করছি, সে বিষয়ে সচেতন থাকা অত্যন্ত জরুরি।"
উপাচার্য আরও বলেন, "দেশের মৌসুমি ফল সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করাই এ ধরনের আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য। দেশীয় ফল শুধু পুষ্টির উৎসই নয়, বরং সুস্বাস্থ্য রক্ষা এবং বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় মৌসুমি ফলের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।"
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের সভাপতি এমরান হোসেন তানিম বলেন, "বাংলাদেশের দেশীয় মৌসুমি ফল শুধু আমাদের ঐতিহ্যের অংশ নয়, এগুলো পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষায় অত্যন্ত কার্যকর। নতুন প্রজন্মের মধ্যে দেশীয় ফলের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতেই আমাদের এই আয়োজন। ভবিষ্যতেও জনসচেতনতামূলক এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন অব্যাহত থাকবে।"
আয়োজকরা জানান, দেশীয় মৌসুমি ফলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসে শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
