প্রকাশিত: ০৪ জুলাই ২০২৬, ১০:৪৯ এএম
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের গবেষণা বাজেট নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দিয়েছে। শুক্রবার (৩ জুলাই) প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে কমিশন এ বিষয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে।
ইউজিসির ভাষ্য অনুযায়ী, কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে গবেষণা অর্থায়নের পূর্ণাঙ্গ চিত্র উপস্থাপিত হয়নি। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তির সুযোগ তৈরি হতে পারে। এ কারণেই প্রকৃত তথ্য তুলে ধরতে কমিশন এই ব্যাখ্যা দিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা কার্যক্রমের জন্য মোট ২২৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। যা আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ১৩ শতাংশ বেশি। ফলে গবেষণা খাতে কোনো অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়নি-এমন দাবি সঠিক নয় বলে জানিয়েছে ইউজিসি।
কমিশনের মতে, গবেষণা খাতে অর্থায়নের ক্ষেত্রে দ্বৈততা কমাতে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নতুন অর্থায়ন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এর ফলে গবেষণা প্রকল্পে অর্থ বরাদ্দের প্রক্রিয়া আরও সহজ, স্বচ্ছ এবং গবেষকবান্ধব হবে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একাডেমিক স্বাধীনতা, প্রাতিষ্ঠানিক স্বকীয়তা, গবেষণার অগ্রাধিকার এবং বিষয়ভিত্তিক বৈচিত্র অক্ষুণ্ন থাকবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
ইউজিসি জানিয়েছে, ২ জুলাই ২০২৬ তারিখে সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়কে চিঠি দিয়ে তাদের গবেষণা পরিকল্পনা, উপখাতভিত্তিক অর্থের চাহিদা এবং বাজেট প্রাক্কলন দ্রুত কমিশনে পাঠানোর অনুরোধ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর চাহিদাপত্র পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় অর্থ দ্রুত ছাড়ের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ছাড়া বাজেট প্রণয়নের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে কয়েকটি বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে। এগুলো হলো-
- আন্ডারগ্র্যাজুয়েট, মাস্টার্স ও পিএইচডি পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের গবেষণায় আরও বেশি সম্পৃক্ত করা।
- জ্যেষ্ঠ গবেষকদের সঙ্গে নবীন গবেষক ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে শক্তিশালী গবেষণা ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা।
- গবেষণা প্রকল্প গ্রহণের সময় দেশের প্রয়োজন এবং সরকারের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়া।
