প্রকাশিত: ০২ মে ২০২৬, ১১:৩৫ পিএম
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান ২৯ এপ্রিল থেকে ১ মে ২০২৬ পর্যন্ত লিথুয়ানিয়ার ভিলনিয়াসে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অফ ইউনিভার্সিটি প্রেসিডেন্টস আইএইউপি সেমি অ্যানুয়াল কনফারেন্স ২০২৬ এ বিশিষ্ট বক্তা হিসেবে অংশগ্রহণ করেছেন।
সম্মেলনে তিনি “নৈতিকতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নেতৃত্বের মাধ্যমে বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে নেতৃত্ব” শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। এতে তিনি নৈতিক শাসনব্যবস্থা, অন্তর্ভুক্তিমূলক নেতৃত্ব, উদ্ভাবন এবং ভবিষ্যৎ উপযোগী শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেন। পাশাপাশি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির টেকসই অবকাঠামো, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, শিক্ষার্থী কেন্দ্রিক নীতিমালা এবং আন্তর্জাতিক একাডেমিক অংশীদারিত্বকে একটি সফল মডেল হিসেবে উপস্থাপন করেন।
সম্মেলনের ফাঁকে ড. সবুর খান লিথুয়ানিয়ার শিক্ষা, বিজ্ঞান ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী ড. রেজিনা ভালুটিতে’র সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। উল্লেখ্য, তিনি ২০১৯ সালে মাইকোলাস রোমেরিস বিশ্ববিদ্যালয় এর উপ উপাচার্য হিসেবে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি পরিদর্শন করেছিলেন। এই সাক্ষাতের মাধ্যমে উভয়ের পূর্ববর্তী একাডেমিক সম্পর্ক আরও জোরদার হয়।
আইএইউপি এর ট্রেজারার ইলেক্ট হিসেবে ড. সবুর খান বৈশ্বিক উচ্চশিক্ষা সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক একাডেমিক সংলাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেন।
এ বিষয়ে ড. মো. সবুর খান বলেন, ‘উচ্চশিক্ষায় বৈশ্বিক সহযোগিতা টেকসই প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে প্রস্তুত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এই বৈশ্বিক রূপান্তরে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
মাইকোলাস রোমেরিস বিশ্ববিদ্যালয় এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ছিল “দৃঢ় মানসিকতা ও উদ্ভাবনী পথচলা: বৈশ্বিক রূপান্তরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্ব”। এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয় প্রধান ও শিক্ষাবিদরা অংশগ্রহণ করেন।
সম্মেলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণায় জানানো হয়, আগামী ১৯ থেকে ২১ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি আইএইউপি সেমি অ্যানুয়াল কনফারেন্স আয়োজন করবে। আইএইউপি এর ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো দক্ষিণ এশিয়ায় এই মর্যাদাপূর্ণ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
এই অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষা সহযোগিতার একটি উদীয়মান কেন্দ্র হিসেবে নতুনভাবে আত্মপ্রকাশ করবে এবং ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বৈশ্বিক অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
